বরগুনায় জেলেদের চাল আত্মসাৎ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা
বরগুনার তালতলীতে জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া চাল আত্মসাতের অভিযোগে এক ইউপি (প্যানেল) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন আইনে মামলাটি করেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালতের বিচারক, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন- তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চু। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলে পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ফেব্রুয়ারি থেকে মে—এই চার মাসে কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের জন্য মোট ৬৬ টন ৮৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। চাল পরিবহন ও বিতরণের দায়িত্ব লিখিতভাবে দেওয়া হয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাচ্চুকে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১০ এপ্রিল ইউনিয়নের ৭৬৫টি নিবন্ধিত জে
বরগুনার তালতলীতে জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া চাল আত্মসাতের অভিযোগে এক ইউপি (প্যানেল) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন আইনে মামলাটি করেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালতের বিচারক, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন- তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চু।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলে পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ফেব্রুয়ারি থেকে মে—এই চার মাসে কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের জন্য মোট ৬৬ টন ৮৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। চাল পরিবহন ও বিতরণের দায়িত্ব লিখিতভাবে দেওয়া হয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাচ্চুকে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১০ এপ্রিল ইউনিয়নের ৭৬৫টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারকে ৮০ কেজি করে মোট ৬১ টন চাল বিতরণ করা হলেও অবশিষ্ট প্রায় ৫ টন চাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় গত ২২ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং দুদকের বরিশাল বিভাগীয় ও পটুয়াখালী কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে গত ৪ জুন দুদকের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি লিগ্যাল নোটিশও পাঠানো হয়। অভিযোগের কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হন বাদী।
মামলার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক বাচ্চুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
নুরুল আহাদ অনিক/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?