বরিশাল সদর বিএনপির কমিটিতে আ.লীগ-জামায়াত সংশ্লিষ্টদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
সদ্য ঘোষিত বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন দলের একাংশের নেতারা। তাদের দাবি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এবং সদ্য বিলুপ্ত সদর উপজেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম সাবু।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও চরমোনাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম রাড়ী, সাবেক সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেলিম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মন্টু খান, কাজী ফিরোজ আলম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. রেজাউল করিম রেজা রাড়ীসহ অন্যরা।
লিখিত বক্তব্যে জিয়াউল ইসলাম সাবু বলেন, ২০২২ সালে আলহাজ নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হলে কেন্দ্রীয় তদন্ত ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তা বিলুপ্ত করা হয়। পরে নতুন নেত
সদ্য ঘোষিত বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন দলের একাংশের নেতারা। তাদের দাবি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এবং সদ্য বিলুপ্ত সদর উপজেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম সাবু।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও চরমোনাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম রাড়ী, সাবেক সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেলিম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মন্টু খান, কাজী ফিরোজ আলম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. রেজাউল করিম রেজা রাড়ীসহ অন্যরা।
লিখিত বক্তব্যে জিয়াউল ইসলাম সাবু বলেন, ২০২২ সালে আলহাজ নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হলে কেন্দ্রীয় তদন্ত ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তা বিলুপ্ত করা হয়। পরে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে আরেকটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়, যা আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তার অভিযোগ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো আলোচনা ছাড়াই পুনরায় নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে ওই কমিটি জেলা বিএনপির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই গত ১২ জুলাই ১৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করিয়ে আনে।
তিনি দাবি করেন, নতুন কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি কয়েক মাস আগে মারা যাওয়া একজন ব্যক্তির নামও সদস্য তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জিয়াউল ইসলাম সাবু আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান আহ্বায়ক নুরুল আমিন অতীতে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এখনও জামায়াত পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি অভিযোগ তদন্ত করে বিতর্কিত কমিটি বিলুপ্ত করার দাবি জানান। অন্যথায় এ কমিটির বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমিন। তিনি বলেন, ‘অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করেই কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এসব অভিযোগ তুলছে।’