বরিশালে তিন চাকা যানের ভাড়া বৃদ্ধি, বিপাকে যাত্রীরা

বরিশাল নগরীতে তিন চাকা যানের (হলুদ অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রা) ভাড়া হঠাৎ করে ৫ টাকা বৃদ্ধি করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিভিন্ন রুটে নতুন ভাড়ার তালিকা যানবাহনে টাঙিয়ে দেওয়া হলেও বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) জানিয়েছে, তারা এখনো কোনো ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়নি। জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে নগরীর বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে তিন চাকা যানের চালকরা। আগে চৌমাথা থেকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ৫ টাকা ভাড়া থাকলেও বর্তমানে ১০ টাকা দাবি করছেন চালকেরা। একইভাবে লঞ্চঘাট থেকে চৌমাথা রুটে ১৫ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে যাত্রীদের তর্কাতর্কি হয়। চালকদের একাংশের দাবি, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা নিজেরাই ভাড়া সমন্বয় করেছেন। অন্যদিকে যাত্রীরা জানান, কোনো পূর্বঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানো অযৌক্তিক এবং এতে দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যয় বেড়ে গেছে। জানা গেছে, তিন চাকার যানের চালকেরা অন্তত ১০ থেকে ১৫টি রুটে ভাড়া বাড়িয়েছেন। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে তারা নিজেরাই ৫ টাকা করে ভাড়া বাড়িয়ে

বরিশালে তিন চাকা যানের ভাড়া বৃদ্ধি, বিপাকে যাত্রীরা

বরিশাল নগরীতে তিন চাকা যানের (হলুদ অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রা) ভাড়া হঠাৎ করে ৫ টাকা বৃদ্ধি করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিভিন্ন রুটে নতুন ভাড়ার তালিকা যানবাহনে টাঙিয়ে দেওয়া হলেও বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) জানিয়েছে, তারা এখনো কোনো ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়নি।

জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে নগরীর বিভিন্ন রুটে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে তিন চাকা যানের চালকরা। আগে চৌমাথা থেকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ৫ টাকা ভাড়া থাকলেও বর্তমানে ১০ টাকা দাবি করছেন চালকেরা। একইভাবে লঞ্চঘাট থেকে চৌমাথা রুটে ১৫ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে যাত্রীদের তর্কাতর্কি হয়।

চালকদের একাংশের দাবি, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা নিজেরাই ভাড়া সমন্বয় করেছেন।

অন্যদিকে যাত্রীরা জানান, কোনো পূর্বঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানো অযৌক্তিক এবং এতে দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যয় বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, তিন চাকার যানের চালকেরা অন্তত ১০ থেকে ১৫টি রুটে ভাড়া বাড়িয়েছেন। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে তারা নিজেরাই ৫ টাকা করে ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছেন।

রজব আলী নামে এক হলুদ অটোরিকশাচালক জানান, তাদের কোনো সমিতি নেই। তাই তারা সব চালক মিলেমিশে ভাড়া বাড়িয়েছেন। যাত্রীদের সঙ্গে তর্ক এড়াতে গাড়ির সামনে চার্ট টানিয়েছেন।

ওই অটোরিকশার যাত্রী হাতেম আলী কলেজের ছাত্রী আসমা আক্তার বলেন, গায়ের জোরে ভাড়া বৃদ্ধির তালিকা ঝুলিয়ে দিয়েছেন চালকেরা। এতে আমরা যারা দৈনিক অটোরিকশায় চলাচল করি, তাদের খরচ বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।

বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহসভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু বলেন, ১ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি করতে হলেও ৩টি পক্ষ যথাক্রমে যাত্রী, চালক এবং সিটি করপোরেশনকে লাগবে। তাছাড়া এই অটো, মাহিন্দ্রার চলাচলের বৈধতা কতটা আছে তাও দেখতে হবে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিসিসির নাম ব্যবহার করে যে ভাড়ার তালিকা প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। নগরীর অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া নির্ধারণে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ও সমন্বয় সাপেক্ষে পরবর্তী সময়ে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে।

শাওন খান/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow