বরেণ্য ক্রীড়া ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আব্দুস সাদেকের ইন্তিকাল

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন হারালো তার অন্যতম বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২০ জুন ২০২৬) সকাল ৭টা ৩৮ মিনিটে ঢাকা কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ক্যানসারে ভুগছিলেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। খেলোয়াড়, অধিনায়ক, কোচ, সংগঠক এবং ক্রীড়া প্রশাসক হিসেবে বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশের হকি ও ফুটবলের বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক হকি দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি গর্বের সঙ্গে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার অবিস্মরণীয় অবদান ও গৌরবময় উত্তরাধিকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক পরিচিত মুখ হকি এবং ফুটবল অঙ্গনের এক সময়ের বড় তারকা আব্দুস সাদেক। যিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন বার্তা এবং আবাহ নিয়ে

বরেণ্য ক্রীড়া ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আব্দুস সাদেকের ইন্তিকাল

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন হারালো তার অন্যতম বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ শনিবার (২০ জুন ২০২৬) সকাল ৭টা ৩৮ মিনিটে ঢাকা কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ক্যানসারে ভুগছিলেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খেলোয়াড়, অধিনায়ক, কোচ, সংগঠক এবং ক্রীড়া প্রশাসক হিসেবে বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশের হকি ও ফুটবলের বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক হকি দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি গর্বের সঙ্গে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার অবিস্মরণীয় অবদান ও গৌরবময় উত্তরাধিকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক পরিচিত মুখ হকি এবং ফুটবল অঙ্গনের এক সময়ের বড় তারকা আব্দুস সাদেক। যিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন বার্তা এবং আবাহ নিয়ে আসা ঢাকা আবাহনীর প্রথম হকি ও ফুটবলের অধিনায়ক। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে ঢাকায় তো নয়ই, সারা দেশেই একই ক্রীড়াবিদের একটা ক্লাবের হয়ে প্রথম ফুটবল এবং হকি অধিনায়কত্ব করার নজিরটা বিরল।

সেই বিরল নজির স্থাপন করেছিলেন ১৯৭৪ সালে আব্দুস সাদেক। পরবর্তীতে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পদেও ছিলেন বেশ কয়েক বছর। ৮০ বছর বয়স হলেও সদা হাস্যোজ্জ্বল আব্দুস সাদেক ছিলেন তার খেলোয়াড়ি জীবনের মতোই ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা এবং স্পোর্টিং অ্যাটিটিউড নিয়ে।

যখন যার সঙ্গে দেখা হতো বিনয় এবং সৌজন্যবোধ নিয়েই কথা বলতেন। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করা সদা হাস্যোজ্জ্বল এই বিনয়ী মানুষটি ছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের প্রায় সবার কাছেই ভালোবাসার পাত্র। সমবয়সীদের কাছে ছিলেন বন্ধুর মতো, বয়সে ছোটদের কাছে তিনি ছিলেন অনুকরণীয় এবং আদর্শ।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে কজন উঁচু মার্গের ক্রীড়াবিদ তাদের চমৎকার ব্যবহার, বিনয় এবং সৌজন্যবোধের জন্য বিশেষ পরিচিত, আব্দুস সাদেক তাদের অন্যতম। তার ছেলে বিশিষ্ট ক্রিকেট সংগঠক ইশতিয়াক সাদেক জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, আগামীকাল ২১ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় ওল্ডডিওএইচএস মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

আব্দুস সাদেকের প্রয়াণে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি জনাব তাবিথ আউয়াল, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতিবৃন্দ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সম্পাদক, বাফুফের সকল স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী গভীর শোক প্রকাশ করছেন। শোক প্রকাশ করেছে আবাহনী ক্লাবও। একই সঙ্গে মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow