বর্গা শিক্ষক নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবানে বর্গা শিক্ষক (প্রক্সি শিক্ষক) নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সোমবার (১১ মে) দুপুরে বান্দরবান জেলা সদরের রেইছা প্রাইমারি টিচার ট্রেনিং সেন্টার পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তবে দেশে বর্গা শিক্ষক বা প্রক্সি শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় এর সংখ্যা অনেকাংশে বেশি। আগামীতে প্রক্সি টিচার বা বর্গা টিচার দিয়ে স্কুল পরিচালনা করার কোনো জায়গা থাকবে না বাংলাদেশে।’ চাকরি হিসেবে নয়, শিক্ষকরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করলে পড়ালেখার মান আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি। ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, আমাদের বেশিরভাগ প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা, গণিতসহ অন্যান্য বিষয়ে যতটুকু জানার কথা, তারা তা জানে না। আপনারা শিক্ষকরা যেদিন থেকে পড়ানো শুরু করবেন, সেদিন থেকে সব বাচ্চারা শিক্ষিত হবে।’ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নেমে এসেছিল অনেক নিচে। এটা সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়া হবে।’ এর আগে

বর্গা শিক্ষক নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবানে বর্গা শিক্ষক (প্রক্সি শিক্ষক) নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে বান্দরবান জেলা সদরের রেইছা প্রাইমারি টিচার ট্রেনিং সেন্টার পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তবে দেশে বর্গা শিক্ষক বা প্রক্সি শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় এর সংখ্যা অনেকাংশে বেশি। আগামীতে প্রক্সি টিচার বা বর্গা টিচার দিয়ে স্কুল পরিচালনা করার কোনো জায়গা থাকবে না বাংলাদেশে।’

চাকরি হিসেবে নয়, শিক্ষকরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করলে পড়ালেখার মান আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, আমাদের বেশিরভাগ প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা, গণিতসহ অন্যান্য বিষয়ে যতটুকু জানার কথা, তারা তা জানে না। আপনারা শিক্ষকরা যেদিন থেকে পড়ানো শুরু করবেন, সেদিন থেকে সব বাচ্চারা শিক্ষিত হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নেমে এসেছিল অনেক নিচে। এটা সম্পূর্ণভাবে বদলে দেওয়া হবে।’

এর আগে রেইছা প্রাইমারি টিচার ট্রেনিং সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তালেব, পিটিআইয়ের পরিচালক ফজলুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনিহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

নয়ন চক্রবর্তী/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow