বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে জাইকার সহযোগিতা চাইলেন চসিক মেয়র
চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সংগ্রহ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন। সোমবার (২২ জুন) নগরের টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে জাইকার নবনিযুক্ত প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মেয়র এ আহ্বান জানান। সাক্ষাতে মেয়র ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলমান জাইকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের জন্য সংস্থাটিকে ধন্যবাদ জানান। প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন, একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, ডাম্পসাইট ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ রয়েছে। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনির্ভর বাণিজ্যিক নগরী। নগরায়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। তিনি বলেন, আমি একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্
চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সংগ্রহ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন।
সোমবার (২২ জুন) নগরের টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে জাইকার নবনিযুক্ত প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মেয়র এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাতে মেয়র ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলমান জাইকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের জন্য সংস্থাটিকে ধন্যবাদ জানান। প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন, একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহনব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, ডাম্পসাইট ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ রয়েছে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনির্ভর বাণিজ্যিক নগরী। নগরায়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
তিনি বলেন, আমি একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিক এরই মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সংস্কার ও আধুনিকায়ন উদ্যোগ নিয়েছে। উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ চলছে।
সাক্ষাতে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো চট্টগ্রামে সংস্থাটির অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে চসিকের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ জাইকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?