বর্তমান যুগে তথ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান যুগে তথ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। তথ্য ব্যবস্থাপনা ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে না পারলে রাষ্ট্র ও সমাজ পিছিয়ে পড়বে। রোববার (২৪ মে) বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য ‘নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দক্ষ ও আধুনিক ডিজিটাল জনবল গড়ে তুলতে পারলে রাষ্ট্রের জনসংযোগ কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে। প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিত ও সমান্তরাল গতিতে পরিচালনার জন্য কার্যকর আন্তঃসম্পর্ক ও টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমন্বিত করতে পারলে তার ফল জ্যামিতিক হারে বৃদ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান যুগে তথ্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। তথ্য ব্যবস্থাপনা ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তুলতে না পারলে রাষ্ট্র ও সমাজ পিছিয়ে পড়বে।
রোববার (২৪ মে) বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং তথ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য ‘নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দক্ষ ও আধুনিক ডিজিটাল জনবল গড়ে তুলতে পারলে রাষ্ট্রের জনসংযোগ কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিত ও সমান্তরাল গতিতে পরিচালনার জন্য কার্যকর আন্তঃসম্পর্ক ও টিমওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমন্বিত করতে পারলে তার ফল জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়।
মন্ত্রী ডিজিটাল লিটারেসিকে মৌলিক সক্ষমতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘যারা ডিজিটাল জ্ঞান থেকে পিছিয়ে থাকবে, তারা ভবিষ্যতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’
তিনি জানান, তথ্য ক্যাডার, জনসংযোগ কর্মকর্তা ও জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের জন্য সময়োপযোগী কারিকুলাম ও সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ চালুর বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে তথ্য মন্ত্রণালয় একটি শক্তিশালী ডিজিটাল জনসংযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হবে, যা রাষ্ট্রের নীতি, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনমতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করবে।
এসময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) ইতিবাচক ব্যবহার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি এআই ব্যবহার করে ভুল তথ্য ও অপতথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তথ্য মন্ত্রণালয় সরকারের ভাবমূর্তি তুলে ধরার অন্যতম প্রধান মাধ্যম উল্লেখ করে জনসংযোগ কর্মকর্তাদের আরও সমন্বিত ও দক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন ও মো. শাহ আলম। অনুষ্ঠানে তথ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএএস/একিউএফ
What's Your Reaction?