বর্ষায় গাড়ির ভেতর পানি ঢুকলে যা করবেন
বর্ষা এলেই ঢাকার অনেক সড়ক পরিণত হয় জলাবদ্ধ এলাকায়। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও আবার কোমরসমান পানি জমে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে অনেকেই গাড়ি চালান, আর তখনই ঘটে বিপত্তি। রাস্তার পানি গাড়ির কেবিনে ঢুকে যায়, কখনো আবার ইঞ্জিন পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সামান্য ভুল সিদ্ধান্তে লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে ইঞ্জিনে পানি ঢুকে গেলে ‘হাইড্রোলক’ হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বর্ষাকালে গাড়ির ভেতর পানি ঢুকলে আতঙ্কিত না হয়ে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। জেনে নিন কী করবেন- ইঞ্জিনে পানি ঢুকেছে সন্দেহ হলে স্টার্ট দেবেন না অনেকেই পানি থেকে গাড়ি তুলে সঙ্গে সঙ্গে বারবার স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এটি সবচেয়ে বড় ভুল। যদি ইঞ্জিনে পানি ঢুকে থাকে, তাহলে স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিস্টন, কানেক্টিং রড বা ক্র্যাঙ্কশ্যাফট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে জোর করে স্টার্ট না দিয়ে টো-ট্রাক বা অন্য গাড়ির সাহায্যে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। আরও পড়ুন বর্ষাকালে সত্যিই কি গাড়ির মাইলেজ কমে যায়? কেবিনে পানি ঢুকলে দ্রুত বের করুন
বর্ষা এলেই ঢাকার অনেক সড়ক পরিণত হয় জলাবদ্ধ এলাকায়। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও আবার কোমরসমান পানি জমে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে অনেকেই গাড়ি চালান, আর তখনই ঘটে বিপত্তি। রাস্তার পানি গাড়ির কেবিনে ঢুকে যায়, কখনো আবার ইঞ্জিন পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সামান্য ভুল সিদ্ধান্তে লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে ইঞ্জিনে পানি ঢুকে গেলে ‘হাইড্রোলক’ হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
তাই বর্ষাকালে গাড়ির ভেতর পানি ঢুকলে আতঙ্কিত না হয়ে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। জেনে নিন কী করবেন-
ইঞ্জিনে পানি ঢুকেছে সন্দেহ হলে স্টার্ট দেবেন না
অনেকেই পানি থেকে গাড়ি তুলে সঙ্গে সঙ্গে বারবার স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এটি সবচেয়ে বড় ভুল। যদি ইঞ্জিনে পানি ঢুকে থাকে, তাহলে স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিস্টন, কানেক্টিং রড বা ক্র্যাঙ্কশ্যাফট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে জোর করে স্টার্ট না দিয়ে টো-ট্রাক বা অন্য গাড়ির সাহায্যে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।
কেবিনে পানি ঢুকলে দ্রুত বের করুন
গাড়ির ভেতরে পানি জমে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব তা বের করে ফেলুন। মাদুর, কার্পেট ও সিটের নিচে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে দুর্গন্ধ, ছত্রাক এবং মরিচা ধরতে পারে। দরজা খুলে পানি বের করে শুকনো কাপড় বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে কেবিন পরিষ্কার করুন।
ব্যাটারির সংযোগ পরীক্ষা করুন
গাড়ির বৈদ্যুতিক অংশে পানি পৌঁছালে শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ হলে ব্যাটারির নেগেটিভ টার্মিনাল খুলে দিন। এরপর হেডলাইট, পাওয়ার উইন্ডো, ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম বা অন্যান্য ইলেকট্রনিকস ঠিকমতো কাজ করছে কি না, সার্ভিস সেন্টারে পরীক্ষা করান।
গাড়ির বৈদ্যুতিক অংশে পানি পৌঁছালে শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি থাকে। ছবি:জাগো নিউজ
এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করুন
ইঞ্জিনে পানি ঢোকার অন্যতম লক্ষণ হলো ভেজা এয়ার ফিল্টার। ফিল্টার ভিজে গেলে ইঞ্জিনে পানি প্রবেশের সম্ভাবনা থাকে। তাই সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে এয়ার ফিল্টার খুলে পরীক্ষা করা জরুরি।
ইঞ্জিন অয়েল ও অন্যান্য তরল পরীক্ষা করুন
ইঞ্জিন অয়েলে পানি মিশে গেলে তার রং দুধের মতো ঘোলাটে হয়ে যায়। এমন হলে গাড়ি চালানো উচিত নয়। ইঞ্জিন অয়েল, গিয়ার অয়েল, ব্রেক ফ্লুইডসহ প্রয়োজনীয় সব তরল পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে পরিবর্তন করতে হবে।
ব্রেক শুকিয়ে নিন
পানির মধ্য দিয়ে গাড়ি চালানোর পর ব্রেক সাময়িকভাবে কম কার্যকর হতে পারে। নিরাপদ রাস্তায় ধীরে ধীরে কয়েকবার ব্রেক চাপলে ডিস্ক ও ব্রেক প্যাড শুকিয়ে যায় এবং ব্রেকিং স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
ইঞ্জিন অয়েলে পানি মিশে গেলে তার রং দুধের মতো ঘোলাটে হয়ে যায়। ছবি:জাগো নিউজ
কেবিন ভালোভাবে শুকানো জরুরি
গাড়ির দরজা-জানালা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে ব্লোয়ার, ফ্যান বা ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন। সিট ও কার্পেট পুরোপুরি না শুকালে পরে দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কেএসকে
What's Your Reaction?

