বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার একযুগ: জাগো নিউজের জয়যাত্রা

মো. আশিকুর রহমান সময় বহমান, তবে কিছু স্মৃতি সময়ের ফ্রেমে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের আকাশে অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ‌‘জাগোনিউজ ২৪.কম’ আজ তার পথচলার একযুগ পূর্ণ করলো। ১২ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং তারুণ্যের সৃজনশীলতার প্রাণবন্ত মেলবন্ধন। কোনো প্রতিষ্ঠান যখন এমন গৌরবের মাইলফলক স্পর্শ করে, তখন অবধারিতভাবেই স্মৃতির ধুলোমাখা পাতাগুলো চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে। জাগো নিউজের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্কটি বেশ পুরোনো এবং গভীর আবেগের। পেছনে ফিরে তাকালে ২০১৮ সালের সেই দিনটির কথা খুব স্পষ্ট মনে পড়ে। আমি তখন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর চারপাশের যাপিত জীবনকে কলমবন্দি করার এক অদম্য স্পৃহা কাজ করতো মনে। সেই সময়ে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়ে আমার লেখা প্রথম ফিচারটি পাঠিয়েছিলাম জাগো নিউজে। ১২ ডিসেম্বর ২০১৮; দিনটি আমার সুস্পষ্টভাবে মনে আছে। এরপর থেকে আজ অবধি দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে আমি নিয়মিত লিখে চলেছি। কখনো ফিচার, কখনো মতামত, আবার কখনো সমসাময়িক বিশ্লেষণ—জাগো নিউজ সব সময় আমার ভাবনার প্রকাশস্থল হিসেবে বিশ্বস্ততার সাথে প

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার একযুগ: জাগো নিউজের জয়যাত্রা

মো. আশিকুর রহমান

সময় বহমান, তবে কিছু স্মৃতি সময়ের ফ্রেমে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের আকাশে অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ‌‘জাগোনিউজ ২৪.কম’ আজ তার পথচলার একযুগ পূর্ণ করলো। ১২ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং তারুণ্যের সৃজনশীলতার প্রাণবন্ত মেলবন্ধন। কোনো প্রতিষ্ঠান যখন এমন গৌরবের মাইলফলক স্পর্শ করে, তখন অবধারিতভাবেই স্মৃতির ধুলোমাখা পাতাগুলো চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে।

জাগো নিউজের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্কটি বেশ পুরোনো এবং গভীর আবেগের। পেছনে ফিরে তাকালে ২০১৮ সালের সেই দিনটির কথা খুব স্পষ্ট মনে পড়ে। আমি তখন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর চারপাশের যাপিত জীবনকে কলমবন্দি করার এক অদম্য স্পৃহা কাজ করতো মনে। সেই সময়ে একটি মানবিক উদ্যোগ নিয়ে আমার লেখা প্রথম ফিচারটি পাঠিয়েছিলাম জাগো নিউজে। ১২ ডিসেম্বর ২০১৮; দিনটি আমার সুস্পষ্টভাবে মনে আছে। এরপর থেকে আজ অবধি দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে আমি নিয়মিত লিখে চলেছি। কখনো ফিচার, কখনো মতামত, আবার কখনো সমসাময়িক বিশ্লেষণ—জাগো নিউজ সব সময় আমার ভাবনার প্রকাশস্থল হিসেবে বিশ্বস্ততার সাথে পাশে থেকেছে।

দীর্ঘ এই পথচলায় জাগো নিউজে আমার অসংখ্য লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে মানবিক উদ্যোগ এবং ইতিবাচক ঘটনা নিয়ে আমার লেখা ফিচারগুলো তারা যেভাবে গুরুত্বের সাথে প্রচার করেছে, তা আমাকে বারবার মুগ্ধ করেছে। দীর্ঘ বছর যাবত লেখার সুবাদে আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে অনুভব করি যে, আমিও ‘জাগো নিউজ পরিবার’রই একজন সদস্য। বছরের পর বছর ধরে তাদের সম্পাদকীয় টিমের আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব এবং লেখকদের প্রতি সম্মানবোধ আমাকে কেবল উৎসাহিত করেছে।

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সৃজনশীলতার অনন্য মিশেল হলো জাগো নিউজ। গত একযুগে তারা যেভাবে সাহসের সাথে সত্য প্রকাশ করেছে এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে পাঠকের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। সংবাদের গুণগত মান বজায় রেখে এবং গুজবমুক্ত সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে তারা যেভাবে জনমানুষের কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছে, তা আজ দেশের গণমাধ্যম জগতের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

একজন নিয়মিত পাঠক হিসেবে আমি দেখি, জাগো নিউজ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমাজের গভীর স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তনের ছোঁয়া পৌঁছে দেয়। তাদের তথ্যবহুল নিবন্ধ, সময়োপযোগী ফিচার এবং বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ আমাদের প্রতিদিনের চিন্তার খোরাক জোগায়। তরুণ প্রজন্মের লেখক ও সাংবাদিকদের জন্য তারা যে উন্মুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছে, তা অনন্য।

আজ এই মাহেন্দ্রক্ষণে জাগো নিউজ পরিবারের সকল সদস্য—সম্পাদক থেকে শুরু করে সংবাদকর্মী এবং অগণিত পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। জাগো নিউজের প্রতি আমার ভালোবাসা চিরন্তন।

একযুগের এই বর্ণিল পথচলা যেন সামনের দিনগুলোতে আরও সমৃদ্ধ ও বিস্তৃত হয়। জয় হোক বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার, জয় হোক জাগো নিউজের। তেরো বছরে পদার্পণের এই লগ্নে শুভকামনা জানাই—জাগো নিউজ এগিয়ে যাক সাহসের সাথে, সত্যের মশাল নিয়ে।

শুভ জন্মদিন জাগো নিউজ!

লেখক: সিনিয়র সেকশন অফিসার (জনসংযোগ), ফেনী ইউনিভার্সিটি।

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow