বহিষ্কৃত সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেবিদ্বার থানায় এ অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগকারী রাইসুল ইসলাম আখন্দ দেবিদ্বার উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আনোয়ার হোসেন আখন্দের ছেলে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে,  ০৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুনাইঘর ইউনিয়নের বাকসার বাজার এলাকায় বিএনপি জোট সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের নির্বাচনী বৈঠকে মঞ্জুরুল একটি বক্তব্য দেন। সে বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুমিল্লা-৪ আসনের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ওই উঠান বৈঠকে মঞ্জুরুল আহসান বক্তব্য দেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর দলীয় নীতি, আদর্শ ও সংগঠনের পরিপন্থী আচরণের অভিযোগে বিএনপি তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করে। পরে মঞ্জুরুল সংবাদ সম্মেলন করে দাব

বহিষ্কৃত সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেবিদ্বার থানায় এ অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগকারী রাইসুল ইসলাম আখন্দ দেবিদ্বার উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আনোয়ার হোসেন আখন্দের ছেলে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে,  ০৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুনাইঘর ইউনিয়নের বাকসার বাজার এলাকায় বিএনপি জোট সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের নির্বাচনী বৈঠকে মঞ্জুরুল একটি বক্তব্য দেন। সে বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুমিল্লা-৪ আসনের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ওই উঠান বৈঠকে মঞ্জুরুল আহসান বক্তব্য দেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর দলীয় নীতি, আদর্শ ও সংগঠনের পরিপন্থী আচরণের অভিযোগে বিএনপি তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করে।

পরে মঞ্জুরুল সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া বক্তব্যটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে এসব দাবি সত্ত্বেও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow