বাঁশখালীতে জিল্লুর হত্যা মামলার আসামি মুন্সি আলম গ্রেফতার
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল নিয়ে বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মুন্সি আলমকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭। রোববার (৯ আগস্ট) র্যাব-৭ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে, শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বোয়ালখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মুন্সি আলম বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। র্যাব-৭ জানায়, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের তাজুর ঘোনা এলাকায় লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছিল। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাতে ওই এলাকায় পাহারারত ছিলেন জিল্লুর রহমান। এ সময় একদল লোক সেখানে গিয়ে দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের হাতে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় জিল্লুর রহমানকে ঘোনা থেকে চলে যাওয়ার জন্য অস্ত্রের মুখে হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হল
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল নিয়ে বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মুন্সি আলমকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
রোববার (৯ আগস্ট) র্যাব-৭ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে, শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বোয়ালখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মুন্সি আলম বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি মামলার ২ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
র্যাব-৭ জানায়, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের তাজুর ঘোনা এলাকায় লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছিল।
গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাতে ওই এলাকায় পাহারারত ছিলেন জিল্লুর রহমান। এ সময় একদল লোক সেখানে গিয়ে দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের হাতে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় জিল্লুর রহমানকে ঘোনা থেকে চলে যাওয়ার জন্য অস্ত্রের মুখে হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে তার বুকে তিনটি গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ৩১ জুলাই ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিল্লুর রহমানের বাবা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২ আগস্ট করা মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, মামলার আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এরই মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার ২ নম্বর আসামি মুন্সি আলম বোয়ালখালী এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মুন্সি আলমকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাঁশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এমআরএএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?
