বাঁশখালীর সেই ইউপি চেয়ারম্যানের ৭ বছর কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক ইউপি চেয়ারম্যানকে ৭ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের দায়ের হওয়া মামলায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দণ্ডিত মুজিবুল হক চৌধুরী (৫৬) বাঁশখালীর ১০ নম্বর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এ মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ২০২৫ সালের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুয়ায়ী, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা হলেও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। এতে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের

বাঁশখালীর সেই ইউপি চেয়ারম্যানের ৭ বছর কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক ইউপি চেয়ারম্যানকে ৭ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের দায়ের হওয়া মামলায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দণ্ডিত মুজিবুল হক চৌধুরী (৫৬) বাঁশখালীর ১০ নম্বর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এ মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ২০২৫ সালের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুয়ায়ী, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা হলেও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। এতে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি তার আয়কর নথিতে প্রদর্শিত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত সম্পদ অর্জন করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখেন যা আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে বিতর্কের জন্ম দেন মুজিবুল হক চৌধুরী। সে সময় ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ১০ জন ইউপি সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন। একইসাথে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্মারকলিপিও দেয়া হয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow