বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগে ভাবতে বললেন তামিম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে চলমান আলোচনা-অনিশ্চয়তার মাঝে সংযত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে কথা বললেন তামিম ইকবাল। সাবেক এই অধিনায়কের মতে, তাৎক্ষণিক চাপ বা আবেগের বশে নয়—বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ মাথায় রেখেই যে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রাজধানীর সিটি ক্লাব মাঠে জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের উদ্যোগে আয়োজিত জিয়া ইন্টার ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, ‘যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থই হতে হবে সর্বাগ্রে। এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা কয়েক বছর পর গিয়ে ক্রিকেটকে সমস্যায় ফেলবে।’ প্রকাশ্যে ধারাবাহিক মন্তব্যের বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে তিনি বলেন, ভেতরে আলোচনা না সেরে বারবার ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিলে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ‘আজ এক কথা, কাল আরেক কথা—এভাবে চললে বিভ্রান্তি বাড়ে। আমার মনে হয়, ভেতরে সব আলোচনা শেষ করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবার সামনে আনা উচিত,’ যোগ করেন তিনি। নিজে বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতেন—এমন প্রশ্নে তামিম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মর্যাদা এবং আগ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগে ভাবতে বললেন তামিম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে চলমান আলোচনা-অনিশ্চয়তার মাঝে সংযত ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে কথা বললেন তামিম ইকবাল। সাবেক এই অধিনায়কের মতে, তাৎক্ষণিক চাপ বা আবেগের বশে নয়—বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ মাথায় রেখেই যে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রাজধানীর সিটি ক্লাব মাঠে জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের উদ্যোগে আয়োজিত জিয়া ইন্টার ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, ‘যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থই হতে হবে সর্বাগ্রে। এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা কয়েক বছর পর গিয়ে ক্রিকেটকে সমস্যায় ফেলবে।’ প্রকাশ্যে ধারাবাহিক মন্তব্যের বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে তিনি বলেন, ভেতরে আলোচনা না সেরে বারবার ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিলে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ‘আজ এক কথা, কাল আরেক কথা—এভাবে চললে বিভ্রান্তি বাড়ে। আমার মনে হয়, ভেতরে সব আলোচনা শেষ করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবার সামনে আনা উচিত,’ যোগ করেন তিনি। নিজে বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতেন—এমন প্রশ্নে তামিম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মর্যাদা এবং আগামী এক দশকে সম্ভাব্য প্রভাব—সবকিছু বিবেচনায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। তার ভাষায়, ‘আমরা বোর্ডকে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবেই দেখি। সরকারের সঙ্গে আলোচনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বোর্ডের নিজস্ব অবস্থান ও সাহসী সিদ্ধান্ত থাকা দরকার।’ তিনি আরও বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব পাঁচ বা দশ বছর পর কী হতে পারে—সেই হিসাব না কষলে ভবিষ্যতে তার মাশুল দিতে হতে পারে। ‘আজকের সিদ্ধান্তে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেট কীভাবে প্রভাবিত হবে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,’ মন্তব্য করেন তামিম। সবশেষে সাবেক এই ওপেনারের প্রত্যাশা একটাই—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যেন আসে সুপরিকল্পিত ভাবনা থেকে। ‘আমি শুধু এটুকুই চাই, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ যেন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। চিন্তা করে, ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সবচেয়ে জরুরি,’ বলেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow