বাংলাদেশকে নিয়ে রোমাঞ্চিত, ভিডিও ফুটেজেই ভরসা হ্যাজেলউডের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বর্তমানে ডারউইনে অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। প্রথম টেস্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে টাইগাররা। এরই মধ্যে সিরিজ ঘিরে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজেলউড। বাংলাদেশের বিপক্ষে খুব বেশি ম্যাচ না খেলায় প্রতিপক্ষ সম্পর্কে কিছুটা অজানাই থাকছে বলে মনে করেন এই ডানহাতি পেসার। তবে সেই অনিশ্চয়তাই সিরিজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে বিশ্বাস তার। সম্প্রতি এক পডকাস্টে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষের ধরনটা কেমন হবে। তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর হবে। ভিডিও ফুটেজ তো অবশ্যই আছে, সেখান থেকে ব্যাটারদের খেলার ধরন বোঝা সম্ভব। তবে মাঠে নেমে তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজানোর প্রয়োজনও হতে পারে, যা সবসময়ই ব্যতিক্রমী ও নতুনত্বের স্বাদ দেয়।’ তিনি জানান, টেস্ট ক্রিকেটে পরিকল্পনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি জরুরি সেটি দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। হ্যাজেলউড বলেন, ‘(টেস্টে) পরিকল্পনাটা খুব
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বর্তমানে ডারউইনে অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। প্রথম টেস্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে টাইগাররা। এরই মধ্যে সিরিজ ঘিরে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজেলউড।
বাংলাদেশের বিপক্ষে খুব বেশি ম্যাচ না খেলায় প্রতিপক্ষ সম্পর্কে কিছুটা অজানাই থাকছে বলে মনে করেন এই ডানহাতি পেসার। তবে সেই অনিশ্চয়তাই সিরিজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে বিশ্বাস তার।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষের ধরনটা কেমন হবে। তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর হবে। ভিডিও ফুটেজ তো অবশ্যই আছে, সেখান থেকে ব্যাটারদের খেলার ধরন বোঝা সম্ভব। তবে মাঠে নেমে তৎক্ষণাৎ পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজানোর প্রয়োজনও হতে পারে, যা সবসময়ই ব্যতিক্রমী ও নতুনত্বের স্বাদ দেয়।’
তিনি জানান, টেস্ট ক্রিকেটে পরিকল্পনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি জরুরি সেটি দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।
হ্যাজেলউড বলেন, ‘(টেস্টে) পরিকল্পনাটা খুবই সাধারণ। আসল বিষয় হলো ঠিকঠাক বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেটা ধরে রাখা।’
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পার্থক্য তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার বলেন, টেস্টে পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলানোর সুযোগ থাকে, যা সংক্ষিপ্ত সংস্করণে সম্ভব নয়।
তার ভাষায়, ‘খেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতিতে খানিকটা পরিবর্তন আসতেই পারে, তবে মোটের ওপর এটি খুব সাধারণ একটি কৌশল। (টেস্টে) খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য বেশ সময় পাওয়া যায়। প্রথম স্পেলের অর্ধেক পার করে মনে হতে পারে, অন্য কিছু চেষ্টা করা যাক। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে এ সময়টা পাওয়া যায় না... সামান্য ভুল হলেই বল গিয়ে পড়ে সীমানার বাইরে।’
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?