বাংলাদেশি উৎসবে কুয়ালালামপুরে মেতে উঠেন প্রবাসীরা

মালয়েশিয়ায় থাকা শিক্ষার্থী, প্রবাসী, পেশাজীবীদের দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক রাখার উদ্দেশে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২৬— পাওয়ার্ড বাই ইস্টেল’।  রোববার (১০ মে) বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার উদ্যোগে হোটেল জি-টাওয়ার হলরুমে এ জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রায় ৪ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে কুয়ালালামপুরের এই বলরুম যেন রূপ নেয় একখণ্ড বাংলাদেশে। যেখানে কবিতা, গান আর নাচের তালে ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিতে মাতোয়ারা হয় প্রবাসীরা। একইসাথে পসরা বসে দেশীয় খাবার আর বাহারি পণ্যের। মালয়েশিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্ম দেশীয় খাবার, পোশাক সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সংগঠনের সেন্ট্রাল প্রেসিডেন্ট বশির ইবনে জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কাউন্সিলর (কনসুল্যার) এমডি ফিরোজ রাব্বানী।  প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বাংলাদেশি তরুণদের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের মধ্যদিয়ে দেশীয় সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখার পরামর্শ প্রদান করেন।

বাংলাদেশি উৎসবে কুয়ালালামপুরে মেতে উঠেন প্রবাসীরা

মালয়েশিয়ায় থাকা শিক্ষার্থী, প্রবাসী, পেশাজীবীদের দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক রাখার উদ্দেশে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২৬— পাওয়ার্ড বাই ইস্টেল’। 

রোববার (১০ মে) বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার উদ্যোগে হোটেল জি-টাওয়ার হলরুমে এ জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রায় ৪ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে কুয়ালালামপুরের এই বলরুম যেন রূপ নেয় একখণ্ড বাংলাদেশে।

যেখানে কবিতা, গান আর নাচের তালে ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিতে মাতোয়ারা হয় প্রবাসীরা। একইসাথে পসরা বসে দেশীয় খাবার আর বাহারি পণ্যের। মালয়েশিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্ম দেশীয় খাবার, পোশাক সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

সংগঠনের সেন্ট্রাল প্রেসিডেন্ট বশির ইবনে জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কাউন্সিলর (কনসুল্যার) এমডি ফিরোজ রাব্বানী। 

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বাংলাদেশি তরুণদের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের মধ্যদিয়ে দেশীয় সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখার পরামর্শ প্রদান করেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে ইভেন্ট ডিরেক্টর মুশফিকুর রহমান জানান, প্রবাসে স্মরণকালের এই বৃহৎ জাঁকজমকপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে একদিকে যেমন প্রবাসে দেশীয় সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত থাকছে, অপরদিকে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষদের মধ্যকার একটি অপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে, যা আমাদের একতার প্রতীক হিসেবে বিদেশেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান, বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) ফাল্গুনি বাগচি, কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলম শাহ, ইজ্জান গ্লোবালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং বিয়াম উপদেষ্টা এমডি তোফায়েল আহমেদ, ইয়ুথ হাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট, বিয়াম উপদেষ্টা পাভেল সারওয়ার, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির প্রভাষক ড. মারলিও প্রিয়া, হেড অব ডিপার্টমেন্ট শারমিলা লক্ষ্মী, প্রফেসর ড. জিয়াউল করিম, বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতনসহ অনেকেই।

আয়োজনের শেষের অংশে প্রবাসী সবাই  নাচে-গানে মেতে উঠেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow