বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার দুয়ার খুলছে আবার

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে দেশ দুইটি। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় শ্রম অভিবাসন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  শ্রমবাজার ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার (০৮ এপ্রিল) মালয়েশিয়া সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি শ্রমবাজারসংক্রান্ত প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর। বৈঠকে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়,  শ্রম অভিবাসনে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে উভয় দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত ক

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার দুয়ার খুলছে আবার

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে দেশ দুইটি। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় শ্রম অভিবাসন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

শ্রমবাজার ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার (০৮ এপ্রিল) মালয়েশিয়া সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি শ্রমবাজারসংক্রান্ত প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর।

বৈঠকে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়,  শ্রম অভিবাসনে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে উভয় দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

এতে আরও বলা হয়, মধ্যস্থতাকারী কমানো, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, নির্ভরযোগ্য নিয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার এবং আটকে পড়া কর্মীদের দ্রুত নিয়োগের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যৌথ বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, এআইভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের কথাও জানানো হয়। এর মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী কমিয়ে শ্রমিকদের অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এই ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এ ছাড়া বৈঠকে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সনদ প্রদান এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে শ্রমবাজারকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশই ভবিষ্যতে নিয়মিত সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow