বাংলাদেশে ফিফা ফাউন্ডেশনের কমিউনিটি কর্মসূচির দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রম শুরু

ফুটবলকে শিশু ও তরুণদের শিক্ষা, নেতৃত্ব, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে ‘প্লেয়িং ফর পিস: ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম ২০২৫-২০২৬’-এর দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন। রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ফুটবল টার্ফে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসূচিটির দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্বের ১৩৯টি দেশে পরিচালিত ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম-এর বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন। ২০২৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে কর্মসূচিটির আওতায় ঢাকার মিরপুর এলাকার প্রায় ১ হাজার ১০০ শিশুকে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ, জীবনদক্ষতা শিক্ষা, মনোসামাজিক সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোর এবং ৫০ জন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। প্রথম বছরের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় বছরে কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ পর্যায়ে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ত্রৈমাসিক টুর্নামেন্ট, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য

বাংলাদেশে ফিফা ফাউন্ডেশনের কমিউনিটি কর্মসূচির দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রম শুরু
ফুটবলকে শিশু ও তরুণদের শিক্ষা, নেতৃত্ব, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে ‘প্লেয়িং ফর পিস: ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম ২০২৫-২০২৬’-এর দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন। রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ফুটবল টার্ফে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসূচিটির দ্বিতীয় বছরের কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্বের ১৩৯টি দেশে পরিচালিত ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম-এর বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন। ২০২৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে কর্মসূচিটির আওতায় ঢাকার মিরপুর এলাকার প্রায় ১ হাজার ১০০ শিশুকে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ, জীবনদক্ষতা শিক্ষা, মনোসামাজিক সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোর এবং ৫০ জন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোর রয়েছে। প্রথম বছরের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় বছরে কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ পর্যায়ে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ত্রৈমাসিক টুর্নামেন্ট, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, জীবনদক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল ক্লাসরুম, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং এবং শিশুদের নেতৃত্বে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ (এপিএস-২) আব্দুর রহমান সানি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম এবং গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তামাল)। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহমেদ ইমতিয়াজ জামি, সংগঠনের সদস্য, কোচ, স্বেচ্ছাসেবক, শিশু অংশগ্রহণকারী, অভিভাবক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিশুদের নিয়ে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয় এবং অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়কে স্মারক পদক প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সানি বলেন, “অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ শুধু একটি ক্রীড়া কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিনিয়োগ। আমি এই উদ্যোগে অত্যন্ত মুগ্ধ এবং ভবিষ্যতেও অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের পাশে থেকে সহযোগিতা করতে চাই।” বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, “বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের মাধ্যমে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন দেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ফুটবলের মাধ্যমে শিশুদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব গড়ে তোলার এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।” গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তামাল) বলেন, “গুলশান ইয়ুথ ক্লাব সবসময় শিশু ও যুব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করে। এমন একটি আন্তর্জাতিক কর্মসূচির অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।” অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহমেদ ইমতিয়াজ জামি বলেন, “বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের সুযোগ আমাদের জন্য গর্বের। আমাদের লক্ষ্য শুধু দক্ষ ফুটবলার তৈরি করা নয়, বরং খেলাধুলার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও মানবিক নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলা। আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচির মাধ্যমে আরও বেশি শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা কাজ করে যাব।” অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিশুদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সময় কাটান এবং ফুটবলের মাধ্যমে শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক পরিবর্তন গড়ে তোলার এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow