বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ৪০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক প্রায় ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন এসডিআর ঋণ দেবে। পাশাপাশি গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। এই দুই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মানোন্নয়ন, সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবায় দক্ষতা ও সমতা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল কাঠামো গড়ে তোলার ও

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ৪০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক প্রায় ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন এসডিআর ঋণ দেবে। পাশাপাশি গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে।

এই দুই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মানোন্নয়ন, সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবায় দক্ষতা ও সমতা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে ‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেন্থেনিং প্রজেক্ট’ নামের প্রথম প্রকল্পটি। 

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow