বাউফলে পরীক্ষার্থীকে মারধর ও অপহরণের চেষ্টা
পটুয়াখালীর বাউফলে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহযোগিতা করায় এক পরীক্ষার্থীকে মারধর ও জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের পাকডাল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাইকেল ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. বাপ্পি মৃধা (১৮) ওই এলাকার মৃত ইব্রাহীম মৃধার ছেলে। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বাপ্পি,নিজেই প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরেছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, তার চাচা নাসির মৃধার সঙ্গে স্থানীয় শহিদুল ইসলামের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মামলা চলছিল। ওই মামলায় শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোররাতে শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন বাপ্পি। বাপ্পির অভিযোগ, মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিল তার পরিবার ও সহযোগীরা। ও একই মামলার আরেক আসামি রুহুল ইসলাম তার ওপর ক্ষিপ্ত হন। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে রুহুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে মারধরের একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার বা অপহরণের অপচেষ্টা চালানো হয়। আরো বলেন, প্রশাসনকে সহ
পটুয়াখালীর বাউফলে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহযোগিতা করায় এক পরীক্ষার্থীকে মারধর ও জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের পাকডাল ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাইকেল ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. বাপ্পি মৃধা (১৮) ওই এলাকার মৃত ইব্রাহীম মৃধার ছেলে। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বাপ্পি,নিজেই প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরেছেন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, তার চাচা নাসির মৃধার সঙ্গে স্থানীয় শহিদুল ইসলামের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মামলা চলছিল। ওই মামলায় শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোররাতে শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন বাপ্পি।
বাপ্পির অভিযোগ, মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিল তার পরিবার ও সহযোগীরা। ও একই মামলার আরেক আসামি রুহুল ইসলাম তার ওপর ক্ষিপ্ত হন। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে রুহুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে মারধরের একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার বা অপহরণের অপচেষ্টা চালানো হয়। আরো বলেন, প্রশাসনকে সহযোগিতা করার কারণেই তাকে খেসারত দিতে হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী বাপ্পি মৃধা ও তার পরিবার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?