বাউবির উপাচার্যের নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর, আপোষহীন দেশনেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।  শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। বাউবির কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন কবর জিয়ারতের সময়ে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এ সময়ে দেশের গণতন্ত্র, শিক্ষা ও রাষ্ট্র গঠনে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক অবিচল অভিভাবক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার দৃঢ় নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে

বাউবির উপাচার্যের নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর, আপোষহীন দেশনেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। বাউবির কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন কবর জিয়ারতের সময়ে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এ সময়ে দেশের গণতন্ত্র, শিক্ষা ও রাষ্ট্র গঠনে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক অবিচল অভিভাবক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার দৃঢ় নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান জাতির জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশের অনগ্রসর, কর্মজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করে গেছেন, যা রাষ্ট্র গঠনে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে তার ত্যাগ, সাহস ও দূরদর্শিতা আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাউবির প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, শিক্ষক, বিভাগের পরিচালক, আঞ্চলিক পরিচালক, উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow