বাকি ৪৭ আসনে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা জানাল জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতসহ নির্বাচনী ঐক্যের ১০ দলের প্রার্থী নিশ্চিত না করা বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে লিয়াজোঁ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি আরও জানান, লিয়াজোঁ কমিটি আলোচনা করে প্রস্তাব দেবেন, এরপর শীর্ষ নেতারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। একই দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও সাংবাদিকদের জানান, শুরু থেকে যে প্রক্রিয়ায় আসন বণ্টন হয়েছে, ইসলামী আন্দোলন না আসায় সমঝোতার ভিত্তিতে একই প্রক্রিয়ায় আসন বণ্টন হবে। যে আসনে যে দলের প্রার্থীকে সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করা হবে, তাকেই একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সমঝোতা হওয়া আসনগুলোতে যে দলের প্রার্থী থাকবে, তিনি বাদে বাকিরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে সেটি প্রত্যাহার করা হবে। ১৯ জানুয়ারির আগে অন্য কোনো কিছুর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে

বাকি ৪৭ আসনে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা জানাল জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতসহ নির্বাচনী ঐক্যের ১০ দলের প্রার্থী নিশ্চিত না করা বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে লিয়াজোঁ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

তিনি আরও জানান, লিয়াজোঁ কমিটি আলোচনা করে প্রস্তাব দেবেন, এরপর শীর্ষ নেতারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

একই দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও সাংবাদিকদের জানান, শুরু থেকে যে প্রক্রিয়ায় আসন বণ্টন হয়েছে, ইসলামী আন্দোলন না আসায় সমঝোতার ভিত্তিতে একই প্রক্রিয়ায় আসন বণ্টন হবে। যে আসনে যে দলের প্রার্থীকে সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করা হবে, তাকেই একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সমঝোতা হওয়া আসনগুলোতে যে দলের প্রার্থী থাকবে, তিনি বাদে বাকিরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে সেটি প্রত্যাহার করা হবে। ১৯ জানুয়ারির আগে অন্য কোনো কিছুর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। গতকাল ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনের পরে তারা ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ধরে নিয়েই ১০ দল কর্মপরিকল্পনা সাজাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ১০ দলীয় জোট থেকে ১৭৯টি আসনে জামায়াত, ৩০টিতে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, এবি পার্টি ৩টি এবং ২টি আসনে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থিতা নিশ্চিত হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow