বাকিতে জ্বালানি তেল না পেয়ে পাম্প বন্ধের হুমকি যুবদল নেতার
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাকিতে জ্বালানি তেল না দেওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
গত রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নে অবস্থিত ‘হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত খোরশেদ আলম খোকন উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত আজাবুদ্দিনের ছেলে। তিনি লালমনিরহাট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য।
জানা গেছে, গত রোববার সকালে ডি.এস ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দুটি ট্রাক্টর পাঠান যুবদল নেতা খোকন। এ সময় তেল নিয়ে পরে টাকা দেওয়ার কথা জানান ট্রাক্টর চালক। কিন্তু বাকিতে তেল দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন কর্তৃপক্ষ। তৎক্ষণাৎ পাম্পের কর্মচারী ও ট্রাক্টর চালকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সেখান থেকে টাকা না দিয়েই চলে যান তারা। খবর পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাক্টর মালিক যুবদল নেতা খোকন ঘটনাস্থলে গিয়ে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় প্রতিবাদ করায় কর্মচারীদেরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনের কর্ত
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাকিতে জ্বালানি তেল না দেওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে জেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
গত রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নে অবস্থিত ‘হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত খোরশেদ আলম খোকন উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত আজাবুদ্দিনের ছেলে। তিনি লালমনিরহাট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য।
জানা গেছে, গত রোববার সকালে ডি.এস ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দুটি ট্রাক্টর পাঠান যুবদল নেতা খোকন। এ সময় তেল নিয়ে পরে টাকা দেওয়ার কথা জানান ট্রাক্টর চালক। কিন্তু বাকিতে তেল দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন কর্তৃপক্ষ। তৎক্ষণাৎ পাম্পের কর্মচারী ও ট্রাক্টর চালকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সেখান থেকে টাকা না দিয়েই চলে যান তারা। খবর পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাক্টর মালিক যুবদল নেতা খোকন ঘটনাস্থলে গিয়ে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় প্রতিবাদ করায় কর্মচারীদেরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ।
হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী কৃষ্ণ চন্দ্র রায় বলেন, আমি পাম্পে কাজ করছিলাম। এ সময় দুটি ট্রাক্টর তেল নিতে আসে। তাদেরকে তেল দিয়ে যখন টাকা চাই তখন তারা বলেন খোকন দেবেন। কিন্তু মালিকের নিষেধ থাকায় আমি বাকি দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এর কিছুক্ষণ পর খোকন এসে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। আমাকে এবং পাম্পে থাকা আমার সহকর্মীদেরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
হাতীবান্ধা ডি.এস ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম মমতাজুল মনোয়ার উদয় জানান, আমরা বাকিতে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু রোববার সকালে দুটি ট্রাক্টর তেল নিয়ে পরে টাকা দিতে চেয়েছিল। আমার সে বিষয়ে রাজি হইনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাক্টর মালিক খোকন এসে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। আমার কর্মচারীদেরও গালিগালাজ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লালমনিরহাট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খোরশেদ আলম খোকনের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে বলেন, বিষয়টি পাম্প মালিকের সঙ্গে মীমাংসা হয়েছে।