বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, আহত ৫

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেষমোড় এলাকার কয়েকজন স্থানীয় এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে। এতে ঈশা খাঁ হলের চারজন এবং মাওলানা ভাসানী হলের একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মধ্যরাত পর্যন্ত শেষমোড় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি জানতে ও প্রতিবাদ জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে কয়েকশ শিক্ষার্থী সেখানে জড়ো হন। এর আগে একই দিন সকালে ঘটনার সূত্রপাত হয়। সকাল প্রায় ১১টার দিকে কয়েকজন বহিরাগত ঈশা খাঁ হল এলাকায় প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা তাদের চোর সন্দেহে আটক করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলেও হল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনার জের ধরেই রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী রাতের খাবার খেতে শেষমোড়ের দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাদের পথরোধ করে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির মধ্যে স্থানীয়রা

বাকৃবিতে শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, আহত ৫

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শেষমোড় এলাকার কয়েকজন স্থানীয় এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে। এতে ঈশা খাঁ হলের চারজন এবং মাওলানা ভাসানী হলের একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মধ্যরাত পর্যন্ত শেষমোড় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি জানতে ও প্রতিবাদ জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে কয়েকশ শিক্ষার্থী সেখানে জড়ো হন।

এর আগে একই দিন সকালে ঘটনার সূত্রপাত হয়। সকাল প্রায় ১১টার দিকে কয়েকজন বহিরাগত ঈশা খাঁ হল এলাকায় প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা তাদের চোর সন্দেহে আটক করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলেও হল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনার জের ধরেই রাতে হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঈশা খাঁ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী রাতের খাবার খেতে শেষমোড়ের দিকে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাদের পথরোধ করে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির মধ্যে স্থানীয়রা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।

হামলার সময় লোহার পাইপের আঘাতে এক শিক্ষার্থীর মাথা ফেটে যায় এবং আরেকজনের নাক গুরুতরভাবে আহত হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঈশা খাঁ হলসহ আশপাশের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরাও ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন।

আহতদের প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত শিক্ষার্থীরা হলেন - ঈশা খাঁ হলের পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম, ভেটেরিনারি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অন্তর ও ইমন, কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর এবং মাওলানা ভাসানী হলের কৃষি অর্থনীতি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রিয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থী জানান, প্রতিদিনের মতো খাবার খেতে যাওয়ার সময় হঠাৎ কয়েকজন স্থানীয় বাধা দেয়। কারণ জানতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে ইট ছুড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা থেকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে এলাকায় অভিযান চলছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow