বাগেরহাটে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতার ওপর হামলার নিন্দা
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ নওশের ইসলামের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনটি। এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ এ নিন্দা জানান। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন। আরও পড়ুন ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির হাল ধরবেন কে? এর আগে গতকাল বুধবার যৌথ বিবৃতি বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে নওশের ইসলামের ওপর স্টিলের পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ন্যক্কারজনক। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে পেশিশক্তি, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমত দমনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘটনা সুষ্ঠু ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত। বিবৃতিতে বলা হয়, ১১ আগস্ট রাত ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে গোপালপুর রোডে নওশের ইসলামের পথরোধ করেন মোটরসাইকেলযোগে আসা চার থেকে পাঁচজন। অভিযোগ রয়েছে, বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ নওশের ইসলামের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনটি। এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ এ নিন্দা জানান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম মিঠুন।
এর আগে গতকাল বুধবার যৌথ বিবৃতি বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে নওশের ইসলামের ওপর স্টিলের পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ন্যক্কারজনক। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে পেশিশক্তি, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমত দমনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘটনা সুষ্ঠু ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১১ আগস্ট রাত ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে গোপালপুর রোডে নওশের ইসলামের পথরোধ করেন মোটরসাইকেলযোগে আসা চার থেকে পাঁচজন। অভিযোগ রয়েছে, বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল ইসলাম রাহাতের একান্ত সহকারী হিসেবে পরিচিত শিবির নেতা মেহেদী রিয়াদের নেতৃত্বে তারা প্রথমে নওশেরকে গালিগালাজ করেন এবং ধাক্কা দিয়ে রাস্তার পাশের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর ফেলে দেন। পরে স্টিলের পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার মোবাইল ফোনও ভাঙচুর করা হয়। এতে নওশের গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারা জড়িত, তা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়, পদ-পদবি কিংবা কোনো ধরনের প্রভাব ব্যবহার করে অপরাধ আড়াল করার সুযোগ নেই।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ অন্যায়, সন্ত্রাস ও পেশিশক্তির কাছে কখনো মাথানত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। নওশের ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সাংগঠনিক ও আইনানুগ কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
এমইউ/কেএসআর
What's Your Reaction?

