বাগেরহাটে প্রস্তুত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ, হবে ৩ জামাত

বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ষাটগম্বুজ মসজিদ। শত শত বছরের ইতিহাস যেন আবারো জেগে উঠবে ঈদুল আজহার সকালে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বাগেরহাটের এই ঐতিহাসিক মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের ৩টি জামাত। দেশ-বিদেশ থেকে আসা মুসল্লিদের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবারো তিন স্তরে আয়োজন করা হয়েছে নামাজের। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং শেষ জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের আশা, তিন পর্বের জামাতে প্রায় ছয় হাজার মুসল্লি অংশ নেবেন। শুধু নামাজ নয়, ঈদকে ঘিরে পুরো ষাটগম্বুজ এলাকা যেন পেয়েছে উৎসবের রূপ।  মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। দর্শনার্থীদের জন্য করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা। ঈদের রাতেও ঐতিহাসিক এই স্থানে থাকবে মানুষের ভিড়। বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি-বিদেশি পর্যটক ও মুসল্লিদের আগমন ঘটবে ষাটগম্বুজে। ঈদকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানেও রাখা হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল, এতিমখানা ও আশ্রয়কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঈদের আনন্দের

বাগেরহাটে প্রস্তুত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ, হবে ৩ জামাত

বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ষাটগম্বুজ মসজিদ। শত শত বছরের ইতিহাস যেন আবারো জেগে উঠবে ঈদুল আজহার সকালে।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বাগেরহাটের এই ঐতিহাসিক মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের ৩টি জামাত। দেশ-বিদেশ থেকে আসা মুসল্লিদের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবারো তিন স্তরে আয়োজন করা হয়েছে নামাজের।

প্রথম জামাত সকাল ৭টায়। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় এবং শেষ জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের আশা, তিন পর্বের জামাতে প্রায় ছয় হাজার মুসল্লি অংশ নেবেন। শুধু নামাজ নয়, ঈদকে ঘিরে পুরো ষাটগম্বুজ এলাকা যেন পেয়েছে উৎসবের রূপ। 

মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। দর্শনার্থীদের জন্য করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা। ঈদের রাতেও ঐতিহাসিক এই স্থানে থাকবে মানুষের ভিড়।

বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি বছরের মতো এবারও দেশি-বিদেশি পর্যটক ও মুসল্লিদের আগমন ঘটবে ষাটগম্বুজে। ঈদকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানেও রাখা হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল, এতিমখানা ও আশ্রয়কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঈদের আনন্দের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পশু কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে সবাইকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow