বাগেরহাটে শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
বাগেরহাটে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্লেস ক্লাবে সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা খান সাইদুল ইসলাম, জাবের আদনান, ইবাদাত ইসলাম, সানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্র-জনতা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন ২৪-এর আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি শত্রুদের সঙ্গেও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যেখানে দালালি, চাটুকারিতা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো ঠাঁই থাকবে না। এটির জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হত্যাকারীর বিচার না করে তামাশা করছেন। ২৪-এর আন্দোলন আমরা করেছি, আমরা রক্ত দিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতার আসনে বসে আছেন, সেখানে বসানোর শক্তি ছাত্র ভাইদের ছিল। প্রয়োজনে নতুন উপদেষ্টা পরিষদ বসানোর সক্ষমতাও আন্দোলনকারীদের আছে বলে তারা দা
বাগেরহাটে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্র-জনতা।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্লেস ক্লাবে সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা খান সাইদুল ইসলাম, জাবের আদনান, ইবাদাত ইসলাম, সানিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্র-জনতা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন ২৪-এর আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি শত্রুদের সঙ্গেও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যেখানে দালালি, চাটুকারিতা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো ঠাঁই থাকবে না। এটির জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হত্যাকারীর বিচার না করে তামাশা করছেন। ২৪-এর আন্দোলন আমরা করেছি, আমরা রক্ত দিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতার আসনে বসে আছেন, সেখানে বসানোর শক্তি ছাত্র ভাইদের ছিল। প্রয়োজনে নতুন উপদেষ্টা পরিষদ বসানোর সক্ষমতাও আন্দোলনকারীদের আছে বলে তারা দাবি করেন।
বক্তারা আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে। ভারত সন্ত্রাসীদের জন্য সেফ হাউজ হয়েছে। আমাদের হাদি ভাইয়ের হত্যাকারী ভারতে পালিয়ে রয়েছে। আমরা চাই, তাকে অতি দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে।
নাহিদ ফরাজী/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?