বাজার মূলধন বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা

গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, তার দ্বিগুণের বেশি প্রতিষ্ঠানের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে প্রধান মূল্যসূচক। তবে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩১টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ৪৫টির। আর ১১৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ লেনদেনে অংশ নেওয়া ৫৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৩ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা বা দশমিক ৫৮ শতাংশ। বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে প্রধান মূল্যসূচকও বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ২৭ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৫২ দশমিক ১৬ পয়

বাজার মূলধন বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা

গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, তার দ্বিগুণের বেশি প্রতিষ্ঠানের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে প্রধান মূল্যসূচক। তবে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩১টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ৪৫টির। আর ১১৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ লেনদেনে অংশ নেওয়া ৫৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে।

দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৩ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা বা দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে প্রধান মূল্যসূচকও বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ২৭ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৫২ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

অন্য দুই সূচকের মধ্যে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বা দশমিক ২৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৭ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৯ শতাংশ।

আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ১৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৭০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ২২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২২ শতাংশ।

এদিকে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতি কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৫৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৩৫৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বা ১ দশমিক ২১ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সিটি ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ৬১ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরা ব্যাংক।

এছাড়া, লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- রহিমা ফুড, সোনালী পেপার, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, সায়হাম কটন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ফাইন ফুডস।

এমএএস/এএমএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow