বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা, বেড়েছে লেনদেনও
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে মূল্যসূচক। পাশাপাশি দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩১টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৪১টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ, দাম কমার তুলনায় দাম বাড়ার তালিকায় প্রায় দ্বিগুণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা বা দশমিক ৬৪ শতাংশ। বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে প্রধান মূল্যসূচকও বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৮০ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৫৪ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। অন্য দু
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে মূল্যসূচক। পাশাপাশি দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩১টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৪১টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ, দাম কমার তুলনায় দাম বাড়ার তালিকায় প্রায় দ্বিগুণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা বা দশমিক ৬৪ শতাংশ।
বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে প্রধান মূল্যসূচকও বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৮০ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৫৪ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৯ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৮ শতাংশ।
আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ২৩ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২১ শতাংশ।
এদিকে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতিও বেড়েছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৫৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৮৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বা ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ২০ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা লেনাদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
এছাড়া, লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- সিটি ব্যাংক, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ফাইন ফুডস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স।
এমএএস/এএমএ
What's Your Reaction?