বাজেটে এআই প্রযুক্তিকে গুরুত্ব, স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটির তহবিল

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি এবং সরকারি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে এআই ড্রিভেন ডাটা সেন্টার ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। বাজেটে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক্স শিল্প এবং তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-কে দেশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে একটি বড় সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। আরও পড়ুন সাতদিনে লাইসেন্স, ৪৮ ঘণ্টায় মিলবে কোম্পানি নিবন্ধন এআই ব্যবহার করে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ ও নাগরিক সেবাকে আরও জনবান্ধব করা, শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী ও দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাজেটে এআই প্রযুক্তিকে গুরুত্ব, স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটির তহবিল

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি এবং সরকারি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে এআই ড্রিভেন ডাটা সেন্টার ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

বাজেটে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইলেকট্রনিক্স শিল্প এবং তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-কে দেশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে একটি বড় সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে।

এআই ব্যবহার করে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ ও নাগরিক সেবাকে আরও জনবান্ধব করা, শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী ও দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং এআই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে। সরকারি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে এআই ড্রিভেন ডাটা সেন্টার ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এসব উদ্যোগ বাংলাদেশকে একটি উদ্ভাবননির্ভর, প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা বিবেচনায় এ খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। এই অর্থ ‌‘স্টার্টআপ তহবিল’ হিসেবে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে, নারী উন্নয়নে এবং তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্যবহার করা হবে।’

ইএইচটি/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow