বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে নারীর বস্তাবন্দি কঙ্কাল
ফরিদপুরে মধুখালীতে বাথরুমের স্ল্যাবের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে মধুখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর কর্মকারপাড়া থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।
বাড়ির মালিক মো. আলী আকবর মণ্ডল (৮০)-এর স্ত্রী মোছা. রওশনা বেগম (৫৫) বলেন, ভোর প্রায় ৫টার দিকে তিনি বাথরুম ব্যবহারের জন্য গেলে স্ল্যাবের ওপর দাঁড়িয়ে অন্য দিনের তুলনায় অস্বাভাবিক অনুভব করেন। বিষয়টি তিনি স্বামীকে জানালেও প্রথমে তা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
পরে আলী আকবর মণ্ডল নিজে বাথরুমে গিয়ে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিছু রয়েছে বলে সন্দেহ করেন। এরপর তিনি বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের জানান। দুপুর প্রায় ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মধুখালী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে বস্তাটি উদ্ধার করেন। বস্তা খুলে দেখা গেছে, এর ভেতরে এক নারীর কঙ্কাল রয়েছে। কঙ্কালটির মাথার খুলি মাঝারি আকারের, দীর্ঘ কালো চুলের অংশ পাওয়া গেছে এবং হাড়গুলোর বিভিন্ন জোড়া বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল।
ফরিদপুরে মধুখালীতে বাথরুমের স্ল্যাবের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে মধুখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর কর্মকারপাড়া থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।
বাড়ির মালিক মো. আলী আকবর মণ্ডল (৮০)-এর স্ত্রী মোছা. রওশনা বেগম (৫৫) বলেন, ভোর প্রায় ৫টার দিকে তিনি বাথরুম ব্যবহারের জন্য গেলে স্ল্যাবের ওপর দাঁড়িয়ে অন্য দিনের তুলনায় অস্বাভাবিক অনুভব করেন। বিষয়টি তিনি স্বামীকে জানালেও প্রথমে তা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
পরে আলী আকবর মণ্ডল নিজে বাথরুমে গিয়ে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি অবস্থায় কিছু রয়েছে বলে সন্দেহ করেন। এরপর তিনি বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের জানান। দুপুর প্রায় ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মধুখালী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে বস্তাটি উদ্ধার করেন। বস্তা খুলে দেখা গেছে, এর ভেতরে এক নারীর কঙ্কাল রয়েছে। কঙ্কালটির মাথার খুলি মাঝারি আকারের, দীর্ঘ কালো চুলের অংশ পাওয়া গেছে এবং হাড়গুলোর বিভিন্ন জোড়া বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মধুখালী উপজেলায় কোনো নারী নিখোঁজ থাকার তথ্য থানায় নথিভুক্ত নেই বলে জানা গেছে। ফলে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্তে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মধুখালী থানার ওসি (তদন্ত) মো. মারুফ হাসান বলেন, পুলিশ কঙ্কালটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।