বাধ্যতামূলক হচ্ছে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল : এনবিআর চেয়ারম্যান
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকেই আয়কর রিটার্নের মতো ভ্যাট রিটার্ন দাখিলও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইনে ভ্যাট রিফান্ড দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আগামী অর্থবছর থেকেই আয়কর রিটার্নের মতো ভ্যাট রিটার্নও অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে। অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার যে ঝামেলা, তা এড়াতে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সার্কেল এন্ট্রি দেয়নি। পেপার রিটার্ন যারা দিয়েছে, তাদেরটা অনলাইনে এন্ট্রি দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এনবিআরের সব কাজ ডিজিটাইজড করা হবে। এনবিআরের সব কাজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করতে চাই। প্রসেসকে সহজ করতে প্রয়োজনে আইনি সংশোধন করা হবে। মূল উদ্দেশ্য জনগণের হয়রানি কমানো।
আবদুর রহমান বলেন, অনলাইন ভ্যাট রিফান্ড মডিউলটি বাস্তবায়নের ফলে করদাতাদের রিফান্ড আবেদন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দ্রুত নিষ্পন্ন করা সম্ভব হবে। এখন থেকে রিফান্ড আবেদন দাখিল ও তা প্রাপ্তির জন্য করদাতাদের ভ্যাট কার্যালয়ে আসতে হ
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকেই আয়কর রিটার্নের মতো ভ্যাট রিটার্ন দাখিলও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইনে ভ্যাট রিফান্ড দেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আগামী অর্থবছর থেকেই আয়কর রিটার্নের মতো ভ্যাট রিটার্নও অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে। অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার যে ঝামেলা, তা এড়াতে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সার্কেল এন্ট্রি দেয়নি। পেপার রিটার্ন যারা দিয়েছে, তাদেরটা অনলাইনে এন্ট্রি দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এনবিআরের সব কাজ ডিজিটাইজড করা হবে। এনবিআরের সব কাজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করতে চাই। প্রসেসকে সহজ করতে প্রয়োজনে আইনি সংশোধন করা হবে। মূল উদ্দেশ্য জনগণের হয়রানি কমানো।
আবদুর রহমান বলেন, অনলাইন ভ্যাট রিফান্ড মডিউলটি বাস্তবায়নের ফলে করদাতাদের রিফান্ড আবেদন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দ্রুত নিষ্পন্ন করা সম্ভব হবে। এখন থেকে রিফান্ড আবেদন দাখিল ও তা প্রাপ্তির জন্য করদাতাদের ভ্যাট কার্যালয়ে আসতে হবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সহযোগিতার প্রয়োজন হলে করদাতাদের সংশ্লিষ্ট মূসক কমিশনারেটে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।