বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁসহ সাত বাড়ি পুড়ে ছাই

বান্দরবান সদরে অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁসহ সাতটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার মধ্যম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে স্থানীয় একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি খাবারের রেস্তোরাঁ রিখ্যাইং জুস বারসহ ৭টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রেস্তোরাঁটির মালিক হ্লা হাইমং বলেন, প্রতিদিন রাত ১০টায় দোকান বন্ধ করা হয়। কোনো কর্মচারীও রাতে অবস্থান করে না। ভোরে মানুষের চিৎকার শুনে বাইরে এসে দেখি দোকান পুরোপুরি পুড়ে যাচ্ছে। কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, এ মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বান্দরবান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মাননান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় আগুন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের বিস্তার বাড়তে থাকায় আরও তিন

বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁসহ সাত বাড়ি পুড়ে ছাই

বান্দরবান সদরে অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁসহ সাতটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার মধ্যম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

পরে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে স্থানীয় একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি খাবারের রেস্তোরাঁ রিখ্যাইং জুস বারসহ ৭টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে রেস্তোরাঁসহ সাত বাড়ি পুড়ে ছাই

রেস্তোরাঁটির মালিক হ্লা হাইমং বলেন, প্রতিদিন রাত ১০টায় দোকান বন্ধ করা হয়। কোনো কর্মচারীও রাতে অবস্থান করে না। ভোরে মানুষের চিৎকার শুনে বাইরে এসে দেখি দোকান পুরোপুরি পুড়ে যাচ্ছে। কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, এ মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বান্দরবান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মাননান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় আগুন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের বিস্তার বাড়তে থাকায় আরও তিনটি ইউনিট যোগ করা হয়। মোট চারটি ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে রিখ্যাইং জুস বারসহ ছয়টি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এছাড়া একটি তিনতলা ভবনের একাংশ পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। আগুন লাগার কারণও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

নয়ন চক্রবর্তী/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow