বান্দরবানের লামা থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু হবে

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বান্দরবানের লামা থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা সব উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করবো। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চাই। আরও পড়ুন: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কারা পাবেন, কারা পাবেন নাআসছে ‌‘ফ্যামিলি কার্ড’, প্রথমেই কারা পাচ্ছেন? তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ সময় তিনি এলজিইডি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় কর

বান্দরবানের লামা থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু হবে

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বান্দরবানের লামা থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা সব উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করবো। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চাই।

আরও পড়ুন:

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কারা পাবেন, কারা পাবেন না
আসছে ‌‘ফ্যামিলি কার্ড’, প্রথমেই কারা পাচ্ছেন?

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি এলজিইডি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য আসিনি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের মানুষের কল্যাণে বিরামহীন কাজ করতে এসেছি। ১৮০ দিনের প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন আমাদের অঙ্গীকার। ফ্যামিলি কার্ড, বৃক্ষরোপণ ও কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হবে।

তিনি সরকারি কাজে কৃচ্ছতাসাধন এবং বাহুল্য বর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার অনুসরণ করে আমরা ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফল করতে বদ্ধপরিকর। পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ সরকারের সব নির্দেশনা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হবে।

সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

এসএনআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow