বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বৃহস্পতিবার খুলছে

টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বন্ধ থাকা বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যার পানি নেমে গেছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর উজানে বৃষ্টিপাতও কমেছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন বান্দরবানে ৮ দিনের বন্যা-পাহাড়ধসে ৭ প্রাণহানি তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের অর্থনীতি অনেকাংশেই পর্যটননির্ভর। পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দিলে পর্যটকদের আগমন বাড়বে, কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবারও সচল হবে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, টানা ভারি বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় গত ৮ জুলাই রাতে জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আরও পড়ুন

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বৃহস্পতিবার খুলছে

টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বন্ধ থাকা বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যার পানি নেমে গেছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর উজানে বৃষ্টিপাতও কমেছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী বৃহস্পতিবার থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের অর্থনীতি অনেকাংশেই পর্যটননির্ভর। পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দিলে পর্যটকদের আগমন বাড়বে, কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবারও সচল হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, টানা ভারি বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় গত ৮ জুলাই রাতে জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এর আগে ৬ জুলাই জারি করা গণবিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় প্রথমে ১২ জুলাই পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়। পরে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। এসময় জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের ভ্রমণ নিষিদ্ধ ছিল।

তবে বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি এবং বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ১৬ জুলাই থেকে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

নয়ন চক্রবর্তী/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow