বাবার মামলায় গ্রেফতারের পর থানা হাজতে মিলল ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বাবার করা মামলায় গ্রেফতারের এক ঘণ্টা পর থানা হাজতখানা থেকে রুবেল মিয়া (২২) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারারপাশা ইউনিয়নের শাহরমুল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেন, ছেলের মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে বাবা রাজা হাওলাদার তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রুবেলকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে রাখা হয়। ওসি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে হাজতে থাকা অবস্থায় রুবেল নিজের গায়ের শার্ট খুলে হাজতের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে গলায় ফাঁস দেন। পরে তাকে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতখানায় গেলে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তাকে উদ্ধার করা হলেও তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিবারের একমাত্র ছেলে হওয়ায় রুবেলকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেন তার স্বজনরা। এমনকি তিন মাস কারাভোগের পরও তার আচরণে পরিবর্তন না আ

বাবার মামলায় গ্রেফতারের পর থানা হাজতে মিলল ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বাবার করা মামলায় গ্রেফতারের এক ঘণ্টা পর থানা হাজতখানা থেকে রুবেল মিয়া (২২) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারারপাশা ইউনিয়নের শাহরমুল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেন, ছেলের মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে বাবা রাজা হাওলাদার তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রুবেলকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে রাখা হয়।

ওসি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে হাজতে থাকা অবস্থায় রুবেল নিজের গায়ের শার্ট খুলে হাজতের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে গলায় ফাঁস দেন। পরে তাকে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতখানায় গেলে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এসময় তাকে উদ্ধার করা হলেও তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিবারের একমাত্র ছেলে হওয়ায় রুবেলকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেন তার স্বজনরা। এমনকি তিন মাস কারাভোগের পরও তার আচরণে পরিবর্তন না আসায় এবং পুনরায় মাদকে জড়িয়ে পড়ায় বাবা বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুবেলের বাবা রাজা হাওলাদার বলেন, ‘একমাত্র ছেলে খুব আদরের ছিল। কিন্তু মাদকের কারণে সব শেষ হয়ে গেল। আজও আমিই পুলিশকে খবর দিয়েছি। তাকে থানায় নেওয়ার পর খাবার ও কাপড় দিয়ে বাড়ি ফিরেছিলাম। পরে জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। এখন আবার থানায় যাচ্ছি।’

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে নিকলী থানা পুলিশ।

এসকে রাসেল/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow