বাবু হত্যা মামলায় হুইপ দুলুসহ সব আসামির খালাস

দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীর বহুল আলোচিত বাগমারা উপজেলার মনোয়ার হোসেন বাবু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (চতুর্থ) আদালতের বিচারক মো. শামসুল আল-আমীন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল ‘সর্বহারা নিধন’-এর নামে মনোয়ার হোসেন বাবুকে বাগমারার একটি মাঠ থেকে তাড়া করে ধরে পলাশি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রকাশ্যে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা ‘বাংলা ভাই জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে দিতে হামিরকুৎসা গ্রামের জেএমবি ক্যাম্পের দিকে চলে যান বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনার পর নিহতের বাবা মহসিন আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে মোট ৫০ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিচার চলাকালে ছয় আসামির মৃত্যু হয়। অবশিষ্ট ৪৪ জনের মধ্যে ১২ জন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ৩২ জন আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৩০ জন আসামি উপস্থিত

বাবু হত্যা মামলায় হুইপ দুলুসহ সব আসামির খালাস

দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীর বহুল আলোচিত বাগমারা উপজেলার মনোয়ার হোসেন বাবু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (চতুর্থ) আদালতের বিচারক মো. শামসুল আল-আমীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল ‘সর্বহারা নিধন’-এর নামে মনোয়ার হোসেন বাবুকে বাগমারার একটি মাঠ থেকে তাড়া করে ধরে পলাশি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রকাশ্যে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামিরা ‘বাংলা ভাই জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে দিতে হামিরকুৎসা গ্রামের জেএমবি ক্যাম্পের দিকে চলে যান বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ওই ঘটনার পর নিহতের বাবা মহসিন আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে মোট ৫০ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিচার চলাকালে ছয় আসামির মৃত্যু হয়। অবশিষ্ট ৪৪ জনের মধ্যে ১২ জন দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ৩২ জন আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৩০ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তবে হুইপ দুলুসহ দুই আসামি অনুপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রইসুল ইসলাম জানান, মামলায় মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও কোনো সাক্ষীই আসামিদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি। ফলে প্রমাণের অভাবে আদালত সব আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow