বালোগুনকে লাল কার্ড ও মেসিকে না দেওয়াকে সঠিক বলছে ফিফার রেফারিং কমিটি
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। তবে ফিফার বিশ্বকাপ রেফারিং কমিটি ওই সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের ১৮তম মিনিটে, প্রথম গোল করার কিছুক্ষণ পরই বসনিয়ার ডিফেন্ডার মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে স্টাড দিয়ে আঘাত করেন বালোগুন। ভিএআরের পরামর্শে মনিটরে রিপ্লে দেখে ক্লাউস সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এই ঘটনাটির সঙ্গে প্রথম রাউন্ডে আলজেরিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির একটি ফাউলের তুলনা করা হয়, যেখানে মেসিকে কোনো কার্ডই দেখানো হয়নি। ফিফার রেফারিং কমিটির মতে দুই ঘটনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাদের মূল্যায়নে, বালোগুনের ট্যাকলে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। মুহারেমোভিচের গোড়ালি বেঁকে যাওয়ার দৃশ্যও সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচের পরদিন রেফারিদের কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফিফার রেফারিং প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা মেসির ঘটনাটি বিশ্ল
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। তবে ফিফার বিশ্বকাপ রেফারিং কমিটি ওই সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
দ্বিতীয়ার্ধের ১৮তম মিনিটে, প্রথম গোল করার কিছুক্ষণ পরই বসনিয়ার ডিফেন্ডার মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে স্টাড দিয়ে আঘাত করেন বালোগুন। ভিএআরের পরামর্শে মনিটরে রিপ্লে দেখে ক্লাউস সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
এই ঘটনাটির সঙ্গে প্রথম রাউন্ডে আলজেরিয়ার বিপক্ষে লিওনেল মেসির একটি ফাউলের তুলনা করা হয়, যেখানে মেসিকে কোনো কার্ডই দেখানো হয়নি।
ফিফার রেফারিং কমিটির মতে দুই ঘটনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাদের মূল্যায়নে, বালোগুনের ট্যাকলে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। মুহারেমোভিচের গোড়ালি বেঁকে যাওয়ার দৃশ্যও সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচের পরদিন রেফারিদের কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফিফার রেফারিং প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা মেসির ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে বলেন, 'এটি ছিল স্বাভাবিক একটি ফাউল। ধীরগতির রিপ্লেতে ঘটনাটি বাস্তবের চেয়ে বড় মনে হয়। এটিকে ম্যাচের স্বাভাবিক গতিতে দেখতে হবে। রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।'
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পোচেত্তিনো ক্লাউসের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, 'আমার কাছে মূল বিষয় হলো খেলোয়াড়ের উদ্দেশ্য। যদি প্রতিপক্ষকে আঘাত করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে লাল কার্ড ঠিক আছে। কিন্তু যদি সে শুধু বলের জন্য লড়াই করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর পা ফেলে, তাহলে সেটা দেখতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃত নয়। আমার মতে, এটি কখনোই লাল কার্ডের মতো অপরাধ নয়।'
ফিফার রেফারিং বিভাগের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বালোগুনের ট্যাকলটি ইচ্ছাকৃত ছিল না, তবে তিনি যে মাত্রায় শক্তি প্রয়োগ করেছিলেন, সেটিই তাকে লাল কার্ড দেখানোর যথেষ্ট কারণ।
এক্ষেত্রে আরেকটি ঘটনারও তুলনা করা হয়েছে। কাতারের মিডফিল্ডার মাদিবো কানাডার ইসমাইল কোনোনের ওপর ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখেছিলেন। সেই ঘটনাটিও দুর্ঘটনাবশত ঘটেছিল বলে ধরা হয়েছিল। তবে সেই ট্যাকলে কোনোনের পা ভেঙে যায়, ফলে পরিণতি ছিল আরও গুরুতর। লাল কার্ড পাওয়ায় ফোলারিন বালোগুন শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে সোমবার সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ থাকবেন।
আরআর/এসকেডি/জেআইএম
What's Your Reaction?