বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটির (জিইএফ) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। শুক্রবার (০৫ জুন) উজবেকিস্তানের সমরখন্দ শহরে অনুষ্ঠিত জিইএফ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান। সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশদূষণের উৎসগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে দূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।’ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ও সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন,

বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর

বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটির (জিইএফ) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

শুক্রবার (০৫ জুন) উজবেকিস্তানের সমরখন্দ শহরে অনুষ্ঠিত জিইএফ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশদূষণের উৎসগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে দূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।’

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ও সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন, ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান এবং বাস্তুতন্ত্রভিত্তিক অভিযোজন কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার।

পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জিইএফের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। 

সমরখন্দে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে বিশ্বের ১৮৬টি দেশের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow