বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনায় একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-আইওএম
বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত কৌশল প্রকল্প চুক্তি সই করেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১.২৫ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করা হবে। আরও পড়ুন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী / জলবায়ু পরিবর্তনে বছরে ৩৪ হাজার কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকিতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মিশন প্রধান ড. লরা টম বনডে প্রকল্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ প্রকল্পের আওতায় জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক গবেষণালব্ধ জ্ঞান বিনিময় হবে। এছাড়া অনিবাসী বাংলাদেশিদের জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্তকরণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন এবং জলবায়ু ঝুঁকি নিরসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়
বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত কৌশল প্রকল্প চুক্তি সই করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১.২৫ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করা হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মিশন প্রধান ড. লরা টম বনডে প্রকল্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ প্রকল্পের আওতায় জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক গবেষণালব্ধ জ্ঞান বিনিময় হবে। এছাড়া অনিবাসী বাংলাদেশিদের জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্তকরণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন এবং জলবায়ু ঝুঁকি নিরসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী সচিব ড. রাজিবুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার আশফাকুর রহমান খান এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ড. এস এম মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।
এমওএস/ইএ
What's Your Reaction?

