বাড়ি ফেরার পথে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা
নরসিংদীতে মো. মুজিবুর রহমান নামের এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নরসিংদী-মাধবদী আঞ্চলিক সড়কের পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মুজিবুর রহমান (৫৫) মাধবদী থানার নুরালাপুর ইউনিয়নের বিরামপুর এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছেলে। তিনি মাধবদী পৌর এলাকার কালিবাড়ির একটি টেক্সটাইল মিলের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায়, নিহত মুজিবুর ব্যক্তিগত কাজে প্রায়ই নরসিংদী শহরে আসতেন। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন। নরসিংদীতে কাজ শেষে সন্ধ্যায় মাধবদীতে ফিরছিলেন। পথে পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও স্বর্ণের আংটি লুট করে নিয়ে সড়কের পাশে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। হানিফ নামের এক সিএনজিচালক স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইমরান বলেন, হাসপাতালে তাকে অজ্ঞাত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। এখানে নিয়ে আসার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের
নরসিংদীতে মো. মুজিবুর রহমান নামের এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নরসিংদী-মাধবদী আঞ্চলিক সড়কের পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মুজিবুর রহমান (৫৫) মাধবদী থানার নুরালাপুর ইউনিয়নের বিরামপুর এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছেলে। তিনি মাধবদী পৌর এলাকার কালিবাড়ির একটি টেক্সটাইল মিলের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায়, নিহত মুজিবুর ব্যক্তিগত কাজে প্রায়ই নরসিংদী শহরে আসতেন। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন। নরসিংদীতে কাজ শেষে সন্ধ্যায় মাধবদীতে ফিরছিলেন। পথে পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও স্বর্ণের আংটি লুট করে নিয়ে সড়কের পাশে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। হানিফ নামের এক সিএনজিচালক স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইমরান বলেন, হাসপাতালে তাকে অজ্ঞাত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। এখানে নিয়ে আসার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নরসিংদী মডেল থানার ওসি এআরএম আল-মামুন বলেন, রাত ১০টার দিকে এক সিএনজিচালক মুজিবুর রহমানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং নামিয়ে দিয়েই চলে যান। পুলিশ ওই চালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে; তাকে পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।