বাড়িতে ১২শ’ লিটার পেট্রল মজুত, আটক ৩
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১২০০ লিটার পেট্রলসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মী নারায়ণপুর এলাকায় হাজী আসমত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তেল পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, মো. মুসফিকুর রহমান মাহি (১৯) লক্ষ্মী নারায়ণপুরের মো. শাহজাহানের ছেলে, মাহমুদুল হাসান (২৬) লক্ষ্মী নারায়ণপুরের জালাল উদ্দিনের ছেলে ও মো. মঞ্জুর আলম (৫৩) মধুসুদনপুরের মৃত ফজলুল হকের ছেলে। পুলিশ জানায়, লক্ষ্মী নারায়ণপুর এলাকার আবুল খায়েরের বসতবাড়িতে অবৈধভাবে বিপুল পেট্রল মজুত রাখা হয়েছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে বসতবাড়ি তল্লাশি করে ১২০০ লিটার পেট্রল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনউদ্দিন জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পেট্রল মজুত ও কেনাবেচা করে আসছিল। জব্দকৃত পেট্রল ও পিকআপ ভ্যানটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘট
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১২০০ লিটার পেট্রলসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মী নারায়ণপুর এলাকায় হাজী আসমত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তেল পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, মো. মুসফিকুর রহমান মাহি (১৯) লক্ষ্মী নারায়ণপুরের মো. শাহজাহানের ছেলে, মাহমুদুল হাসান (২৬) লক্ষ্মী নারায়ণপুরের জালাল উদ্দিনের ছেলে ও মো. মঞ্জুর আলম (৫৩) মধুসুদনপুরের মৃত ফজলুল হকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, লক্ষ্মী নারায়ণপুর এলাকার আবুল খায়েরের বসতবাড়িতে অবৈধভাবে বিপুল পেট্রল মজুত রাখা হয়েছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে বসতবাড়ি তল্লাশি করে ১২০০ লিটার পেট্রল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনউদ্দিন জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পেট্রল মজুত ও কেনাবেচা করে আসছিল। জব্দকৃত পেট্রল ও পিকআপ ভ্যানটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?