বাড়ির মালিককে হত্যার পর ৯ প্যাকেট করল ভাড়াটিয়া, উদ্ধার হয়নি মাথা ও পা
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়া ও তার সহযোগীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন নামের এক নারী। হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে প্যাকেট করে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখে ঘাতকরা।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক ভাড়াটিয়া লাইলি আক্তারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘাতক লাইলি আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
জানা গেছে, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন ফরিদা ইয়াসমিন। স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বাড়িতে একাই বসবাস করতেন ফরিদা ইয়াসমিন। লাইলি আক্তারের কাছে বাড়ির অন্য একটি ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে মামুন বাসার পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষুব্ধ
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়া ও তার সহযোগীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন নামের এক নারী। হত্যার পর ঘটনা আড়াল করতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে প্যাকেট করে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখে ঘাতকরা।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক ভাড়াটিয়া লাইলি আক্তারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘাতক লাইলি আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
জানা গেছে, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন ফরিদা ইয়াসমিন। স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বাড়িতে একাই বসবাস করতেন ফরিদা ইয়াসমিন। লাইলি আক্তারের কাছে বাড়ির অন্য একটি ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে মামুন বাসার পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষুব্ধ জনতা ভাড়াটিয়া লাইলি আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার সঙ্গে রবিউল, সোহেল ও ইমন নামের আরও তিন যুবক ও তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। রাত সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফরিদার টুকরো করা মরদেহের প্যাকেট উদ্ধার ও ঘাতক লাইলি আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনের মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের টুকরো করা মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পা এবং মাথা এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আটক লাইলি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, এ ঘটনায় আরও চারজন জড়িত। বাকি আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।