বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, দেশের মানুষ জানে, বিএনপি যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়েছে। কুমিল্লাও প্রতিবার উন্নয়নের সুফল পেয়েছে। উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে, ইনশাআল্লাহ এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। গত নির্বাচনে কুমিল্লার ৯টি সংসদীয় আসন বিএনপিকে উপহার দেওয়ায় কুমিল্লাবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন পাস হয়েছে। এটি কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। বিশেষ করে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য একজন স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষ। রাজনীতিতে তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। কীভাবে এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ আদায় করতে হয়, সেটিও তার কাছ থেকেই শিখেছি।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা এখনো বিভাগ না হলেও এখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
জাকারিয়া তাহের আরও বলেন, ২০২৪ সালের
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, দেশের মানুষ জানে, বিএনপি যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়েছে। কুমিল্লাও প্রতিবার উন্নয়নের সুফল পেয়েছে। উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে, ইনশাআল্লাহ এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। গত নির্বাচনে কুমিল্লার ৯টি সংসদীয় আসন বিএনপিকে উপহার দেওয়ায় কুমিল্লাবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন পাস হয়েছে। এটি কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। বিশেষ করে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য একজন স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষ। রাজনীতিতে তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। কীভাবে এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ আদায় করতে হয়, সেটিও তার কাছ থেকেই শিখেছি।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা এখনো বিভাগ না হলেও এখানে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
জাকারিয়া তাহের আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটেছে। সেই কারণেই আজ দীর্ঘ সময় পর মুক্ত পরিবেশে নাগরিক সমাবেশ করা সম্ভব হচ্ছে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উন্নয়ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। বিগত সরকারের আমলে এ জেলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এবার কুমিল্লাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কারণ বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, সদ্য ঘোষিত বাজেটে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী ও চাঁদপুরের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং যাতায়াতের সময় প্রায় তিন ঘণ্টা কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের মাত্র তিন মাসেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও ওয়াসা গঠন করা হয়েছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সীমানা সম্প্রসারণের কাজও চলমান। সরকারের প্রতি আস্থা রাখুন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ সঠিক পথেই এগিয়ে যাবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির পিপি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, সাংবাদিক মাসুক আলতাফ চৌধুরী, ডা. মিনহাজুর রহমান তারেকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি এবং জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বপন এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী।