বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ, আহত অনেকে
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০/১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সির হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. কবির (২৮), ছাত্রদলের সদস্য রাছেল (২২) এবং মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল (৩০)। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আহত কর্মীদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল (২৫), মোহাম্মদ নাঈম (২০) ও ফরহাদ (২৩)-কে ভোলা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, সকালে মেদুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পোস্টার লাগিয়ে ভোলা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিম-এর পক্ষে গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় বিএনপির কর্মীরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় দলের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা জামায়াতের আমির হ
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০/১৫ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সির হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. কবির (২৮), ছাত্রদলের সদস্য রাছেল (২২) এবং মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল (৩০)।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আহত কর্মীদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল (২৫), মোহাম্মদ নাঈম (২০) ও ফরহাদ (২৩)-কে ভোলা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, সকালে মেদুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পোস্টার লাগিয়ে ভোলা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিম-এর পক্ষে গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় বিএনপির কর্মীরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় দলের অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা জামায়াতের আমির হাসান তারেক স্বপন হাওলাদার বলেন, “বিএনপির ধানের শীষের লোকজন বরাবরই উত্তেজিত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে পরিত্রাণ চাই।”
অন্যদিকে দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু বলেন, “জামায়াতের কর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে গণসংযোগ করছিল, এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। আমাদের পক্ষ থেকেও তিনজন আহত হয়েছেন।”
দৌলতখান উপজেলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”
What's Your Reaction?