বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে থেকে ২ বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরের গাংনীতে এক বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে থেকে বোমাসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বস্তু দুটি উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা ষোলটাকা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই বিএনপি নেতার নাম আবুল হোসেন। তিনি উপজেলা ষোলটাকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তার স্ত্রী ষোলটাকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোমাসদৃশ বস্তুগুলো প্রথমে দেখতে পান স্থানীয়রা। তবে বস্তুগুলো বোমা কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল গিয়ে বোমাসদৃশ্য বস্তু দুটি উদ্ধার করে। ভুক্তভোগী বিএনপি নেতার স্ত্রী প্যানেল চেয়ারম্যান আফরোজা খাতুন জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা বাড়ির সামনে লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বোমাসদৃশ দুটি বস্তু রেখে গেছে, তা আমি জানি না। সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে আমাকে জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে বস্তু দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে আমাদের সঙ্গে কারও
মেহেরপুরের গাংনীতে এক বিএনপি নেতার বাড়ির সামনে থেকে বোমাসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বস্তু দুটি উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা ষোলটাকা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই বিএনপি নেতার নাম আবুল হোসেন। তিনি উপজেলা ষোলটাকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তার স্ত্রী ষোলটাকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোমাসদৃশ বস্তুগুলো প্রথমে দেখতে পান স্থানীয়রা। তবে বস্তুগুলো বোমা কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল গিয়ে বোমাসদৃশ্য বস্তু দুটি উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী বিএনপি নেতার স্ত্রী প্যানেল চেয়ারম্যান আফরোজা খাতুন জানান, রাতের আঁধারে কে বা কারা বাড়ির সামনে লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বোমাসদৃশ দুটি বস্তু রেখে গেছে, তা আমি জানি না। সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে আমাকে জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে বস্তু দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে আমাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?