বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ শেষ হয়ে গেল। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকোর্টের বিচারপতি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার মনোনয়ন অবৈধ বলে রায় দেন। আবদুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী (সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজী নুরে আলম সিদ্দিকী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার মনোনয়ন বাতিল করে। এরপর হাইকোর্টে রিট করলে গত ২২ জানুয়ারি তা খারিজ হয়ে যায়। সর্বশেষ রোববার আপিল বিভাগ তার ‘লিভ টু আপিল’ সরাসরি খারিজ করে দেন। এতে তার নির্বাচনে অংশ নেওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না। একই আসনের অপর বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া শুরুতে ঋণখেলাপির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির বাছাইয়ে বাদ পড়েছিলেন। তবে হাইকোর্ট গত ২৫ জানুয়ারি তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে ‘ধানের শীষ’ প্রতী

বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ শেষ হয়ে গেল। দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকোর্টের বিচারপতি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার মনোনয়ন অবৈধ বলে রায় দেন।

আবদুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী (সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজী নুরে আলম সিদ্দিকী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার মনোনয়ন বাতিল করে। এরপর হাইকোর্টে রিট করলে গত ২২ জানুয়ারি তা খারিজ হয়ে যায়।

সর্বশেষ রোববার আপিল বিভাগ তার ‘লিভ টু আপিল’ সরাসরি খারিজ করে দেন। এতে তার নির্বাচনে অংশ নেওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না।

একই আসনের অপর বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া শুরুতে ঋণখেলাপির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির বাছাইয়ে বাদ পড়েছিলেন। তবে হাইকোর্ট গত ২৫ জানুয়ারি তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের সেই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে প্রতিপক্ষ হাসান আহমেদ আপিল বিভাগে আবেদন করলেও আজ আদালত তা খারিজ করে দেন। ফলে মোবাশ্বের আলমের প্রার্থিতা এখন আইনিভাবে বৈধ।

আদালতে মোবাশ্বের আলমের পক্ষে শুনানি করেন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম জমিরউদ্দিন সরকার। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মিজানুর রহমান।

এই রায়ের ফলে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটল। এখন একক প্রার্থী হিসেবে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করবেন।

এই আসনে তার অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এবং সাবেক ছাত্রশিবির সভাপতি ইয়াসির আরাফাত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow