বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের ৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
মানিলন্ডারিং ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, চাঁদপুর-২ (মতলব) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জালাল তার নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, এসব অর্থ বিধিবহির্ভূত উপায়ে অর্জিত এবং মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কাও রয়েছে। দুদক জানায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন ছিল, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্টরা তদন্ত চলাকালে কোনো অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর করতে না পারেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, অবরুদ্ধ করা ব্যাংক হিসাবগুলোতে অর্থ জমা রাখা যাবে, তবে তদন্ত শেষ না হওয়া প
মানিলন্ডারিং ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে বিএনপি প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, চাঁদপুর-২ (মতলব) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জালাল তার নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, এসব অর্থ বিধিবহির্ভূত উপায়ে অর্জিত এবং মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অর্থ বিদেশে পাচারের আশঙ্কাও রয়েছে।
দুদক জানায়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন ছিল, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্টরা তদন্ত চলাকালে কোনো অর্থ উত্তোলন বা স্থানান্তর করতে না পারেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, অবরুদ্ধ করা ব্যাংক হিসাবগুলোতে অর্থ জমা রাখা যাবে, তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।
অবরুদ্ধ করা হিসাবগুলোর মধ্যে রয়েছে মেঘনা ব্যাংকে এক্সেলেন্ট করপোরেশনের নামে একটি হিসাব, এইচএসবিসি বাংলাদেশে জালালের নামে একটি হিসাব এবং জালাল ও সাঈদ মোহাম্মদ রিজভীর যৌথ হিসাব, ইস্টার্ন ব্যাংকে শাহনাজ শারমিনের নামে একটি হিসাব এবং ইউসিবিতে সাঈদ মোহাম্মদ আলভীর নামে একটি হিসাব।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় এ অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এমডিএএ/একিউএফ/এমএস
What's Your Reaction?