বিএনপির এক নেতাকে শোকজ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্ববায়ক আব্দুল জব্বার মৃধাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে জেলা কমিটি এ শোকজ ইস্যু করলেও বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে দলীয় একটি সূত্রে প্রেস বিজ্ঞপ্তির নোটিশ গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিএনপির পটুয়াখালী জেলা সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত এক শোকজ চিঠিতে জব্বার মৃধাকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয় লিখিত ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন। শোকজ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে একাধিক সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেসব সভায় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন আব্দুল জব্বার মৃধা। এ ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর প্রকাশ্যে দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য কাফনের কাপড়
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্ববায়ক আব্দুল জব্বার মৃধাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে জেলা কমিটি এ শোকজ ইস্যু করলেও বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে দলীয় একটি সূত্রে প্রেস বিজ্ঞপ্তির নোটিশ গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
বিএনপির পটুয়াখালী জেলা সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত এক শোকজ চিঠিতে জব্বার মৃধাকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয় লিখিত ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন।
শোকজ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে একাধিক সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেসব সভায় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন আব্দুল জব্বার মৃধা। এ ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর প্রকাশ্যে দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য কাফনের কাপড় জড়িয়ে বের হওয়া একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন তিনি। এতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল এবং সংগঠনের আদর্শ ক্ষুণ্ন হয়।
জেলা বিএনপি সূত্র জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই নেতার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাদের কাছ থেকে একাধিক লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চেয়ে ওই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব ও লিখিত ব্যাখ্যা দিতে না পারলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে আব্দুল জব্বার মৃধার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি যোগাযোগের চেষ্টায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করা হলেও সাড়া মেলেনি।
What's Your Reaction?