বিএফআইইউ-ব্র্যাক ব্যাংক বোর্ডের মতবিনিময়

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে (এএমএল ও সিএফটি) নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট। এ উপলক্ষে ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সেশনে প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেন বিএফআইইউ-এর নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান (কারেন্ট চার্জ) মো. মোফিজুর রহমান খান চৌধুরী এবং যুগ্ম পরিচালক জুয়েরিয়া হক। সেশনে বিএফআইইউ কর্মকর্তারা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পরিচালনা পর্ষদ ও সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সরাসরি সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, ‘টোন ফ্রম দ্য টপ’ নিশ্চিত না হলে ব্যাংকের ভেতরে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আলোচনায় শীর্ষ নেতৃত্বের জবাবদিহিতা, ঝুঁকিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিবর্তনশীল আর্থিক অপরাধ ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উঠে আসে। এই সেশনের উদ্দেশ্য ছিল এএমএল ও সিএফটি বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রত্যাশা সম্

বিএফআইইউ-ব্র্যাক ব্যাংক বোর্ডের মতবিনিময়
মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে (এএমএল ও সিএফটি) নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট। এ উপলক্ষে ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সেশনে প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেন বিএফআইইউ-এর নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান (কারেন্ট চার্জ) মো. মোফিজুর রহমান খান চৌধুরী এবং যুগ্ম পরিচালক জুয়েরিয়া হক। সেশনে বিএফআইইউ কর্মকর্তারা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পরিচালনা পর্ষদ ও সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সরাসরি সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, ‘টোন ফ্রম দ্য টপ’ নিশ্চিত না হলে ব্যাংকের ভেতরে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আলোচনায় শীর্ষ নেতৃত্বের জবাবদিহিতা, ঝুঁকিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিবর্তনশীল আর্থিক অপরাধ ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উঠে আসে। এই সেশনের উদ্দেশ্য ছিল এএমএল ও সিএফটি বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রত্যাশা সম্পর্কে পরিচালনা পর্ষদের ধারণা আরও স্পষ্ট করা, তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা এবং ব্যাংকজুড়ে একটি শক্তিশালী কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের ভূমিকা সুদৃঢ় করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান, ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ার সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর ও বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ার চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার। এছাড়া বোর্ড সদস্য ড. জাহিদ হোসেন, ফারজানা আহমেদ, লীলা রশিদ ও আনিতা গাজী রহমান এতে অংশ নেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খানসহ সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। সেশনে বক্তব্যে মো. মোফিজুর রহমান খান চৌধুরী বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনার তদারকি ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নেতৃত্বের জবাবদিহিতা ও ঝুঁকিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়া এ খাতে কার্যকর প্রতিরোধ সম্ভব নয়। ব্যাংক খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, সুশাসনের ঘাটতিই বর্তমান সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। ব্র্যাক ব্যাংক সূত্র জানায়, এ উদ্যোগ ব্যাংকের সুশাসন জোরদার, নিয়ন্ত্রক পরিপালন নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছ ও নৈতিক ব্যাংকিং চর্চা এগিয়ে নেওয়ার ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow