বিএম কলেজে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের হামলা, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস
বরিশালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের একাংশের দাবি, সোমবার সন্ধ্যার দিকে নগরীর জিয়া সড়ক এলাকায় বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল আমিনের ওপর হামলা করে বিএম কলেজ ছাত্রদলের একাংশের নেতা রাতুল ও তার সহযোগীরা। এ খবর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিবের অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ ও মহানগর ছাত্রদল নেতারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বরিশাল মহানগর ছাত্র দলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, ৫ আগস্টের পর রাতুল নিজেকে ছাত্রদলের বলে পরিচয় দিয়ে আসছিল। সোমবার রাতুলের নেতৃত্বে মাজহারুল ইসলাম সোহানসহ কয়েকজন মিলে জেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব আল আমিনের ওপর হামলা করে। তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করি। পরবর্তীতে রাতুল তার লোকজন নিয়ে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করে। আমরা পুনরায় সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে
বরিশালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদলের একাংশের দাবি, সোমবার সন্ধ্যার দিকে নগরীর জিয়া সড়ক এলাকায় বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল আমিনের ওপর হামলা করে বিএম কলেজ ছাত্রদলের একাংশের নেতা রাতুল ও তার সহযোগীরা।
এ খবর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিবের অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ ও মহানগর ছাত্রদল নেতারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বরিশাল মহানগর ছাত্র দলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিম বলেন, ৫ আগস্টের পর রাতুল নিজেকে ছাত্রদলের বলে পরিচয় দিয়ে আসছিল। সোমবার রাতুলের নেতৃত্বে মাজহারুল ইসলাম সোহানসহ কয়েকজন মিলে জেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব আল আমিনের ওপর হামলা করে।
তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করি। পরবর্তীতে রাতুল তার লোকজন নিয়ে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করে। আমরা পুনরায় সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
অন্যদিকে বিএম কলেজ ছাত্রদলের অপর অংশের নেতা রাতুলের অভিযোগ, জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা করেছে। তার বাসায় গিয়ে মায়ের সামনে বসে হুমকি দিয়েছে জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ও মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক। এ সময় তাদের দুজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাস সংলগ্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করলে সেখানেও জেলা ও মহানগর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একাধিক টিম। তারা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও বলেন, নিজের মধ্যে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
What's Your Reaction?